ওমর সাঈদের কবিতা নিয়ে পাঠকের মত

প্রকাশিত : জানুয়ারি ০৪, ২০১৮

কলি কায়েস
এপিটাফ, ডাক ও মাতাল এ তিনটি কবিতার স্রষ্টা কবি ওমর সাঈদ, যার কবিতা ঠিক যেন দুমড়ে মুচড়ে ভ্রষ্ট সমাজের দিকে ঘৃণা ছুড়ে দিলো। জগৎ-সংসারের ঘাড় যখন নিচু হয়ে চটি কিংবা সোফিয়াতে উত্তাল, রাষ্টের বুকে যে সন্তানেরা দিনরাতগুলো স্বপ্নালু চোখে স্বপ্নদোষে পার করে, চাকরির খোঁজে নিউজ পেপার সাথে আনতে আনতে স্তূপে জমিয়ে ফেলে, আর সন্ধ্যা ভারি হতেই সুখ হিসেবে পানীয়জল জুটাতে না পারলে একটা বিড়ি নিয়ে রাতে মাস্টারবেট করে আউজুবিল্লাহ্‌ বিসমিল্লাহ্‌ পড়ে, আর তিনবার আই হেইট পলিটিক্স উচ্চারণ করে ঘুমিয়ে যায়। ঠিক তখনই ওমর সাঈদরা রাতের পর রাত জেগে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় স্বপ্ন দেখে, কবিতা লেখে। তাদের কাছে সত্যটা তুলে ধরার চেষ্টা করে। বুঝাতে চায় যে তাদের এইসমস্ত ন্যাকামোর কারণে সমাজের, রাষ্ট্রের, রাজনীতির এই দুর্দশা।
ঢাকা পড়ে থাকা আরেক শ্রেণিকে দেখাতে চেষ্টা করে। যে শ্রেণির মানুষের পিঠে ভারি চেতনা তুলে এই রাষ্ট্র চেতনার পরিধানে কেবল অখাদ্য খাইয়ে আসছে। তাদের উলঙ্গতা রূপরেখা অঙ্কনে কবিতার জন্ম দেই ওমর সাঈদরা।
 
পারভেজ হাসান সুমন
ওমর সাঈদের কবিতা যখনি পড়ি, তখনই একটা শক খাই। খুব হিংসা লাগে। মনে হয়, এই কবিতাগুলোর ভাষা যেন আমারই মনের আকুলতা প্রকাশ করছে। এ কবিতাগুলো তো আমার লেখার কথা ছিল। কিন্তু এই রকমভাবে গুছিয়ে তো আমি লিখতে পারব না। এ একমাত্র ওর পক্ষেই সম্ভব।
প্রকাশ করার মতো ওর আরও আনেক ভাল কবিতা আছে, যা যে কোনও মননশীল পাঠক পড়লেই নিজের অব্যক্ত কথা প্রকাশের আনন্দ পাবে। মনে হবেক, ওমর সাইদ আমাদের এবং সময়ের প্রতিনিধি হয়ে এসব কথা লিখে দিয়েছে।

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হয়। এর একটি দ্বিবার্ষিক এবং দুইটি প্রতিবছর হয়। তিনটি উৎসবই হয় স্বেচ্চাসেবীদের আয়োজনে। এর মাঝে দুইটি উৎসবের আয়োজক দুইটি ফিল্ম সোসাইটি বা চলচ্চিত্র সংসদ। এই উৎসবগুলো আয়োজনের পেছনে অনেক কষ্টের গল্প থাকে।

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

ডিসেম্বর ১১, ২০১৭

প্রতিটা ইটই প্রাণ পেতে চায়। কিছু একটা হতে চায়। প্রতিটি ভবনের আত্মা আছে, আছে মন। যে ভবনের আত্মা নেই সেটির প্রেতাত্মাও আছে হয়তো। ওই রকম ভবনে থাকলে গা ছমছম করতেই পারে।