পুঁজির বিকাশ এবং যুদ্ধতত্ত্ব

গৌরভ গুপ্ত

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১২, ২০১৮

Huntington `Clash of Civilization` রচনাতে ১৯৯৩ সালে বাজার, মন্দা, উৎপাদন ও মুনাফা বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন। আধুনিক সমাজ ক্রমাগত স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রনির্ভর হবে। কাজেই উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে যাবে প্রায় Exponential Growth এর নিয়ম মেনে। উৎপাদন এমন বাড়বে যে, সমগ্র মানুষ জাতির চাহিদার কয়েক গুণ উৎপাদন হবে এবং হবেই। অতি উৎপাদন অথচ বাজার চাহিদা কম কাজেই উদ্বৃত্ত থেকেই বাজারে মন্দা দেখা দেবে। তো Huntington সাহেব একটা আপাত সমাধান সূত্র প্রস্তাব করেন।
Clash Of Civilizations
প্রযুক্তির উন্নতি এবং অতি উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ তার মতে অসম্ভব। কাজেই তিনি চাহিদা বৃদ্ধি করা আশু সমাধান মেনে নিয়ে বাতলে দেন বিচ্ছিন্নতাবাদের তত্ত্ব। কিন্তু কিভাবে! চাহিদা বৃদ্ধি মানুষের সংখ্যা সমানুপাতিক কাজেই মানুষের সংখ্যা যদি বৃদ্ধি না করা যায়, তবে যুদ্ধ একমাত্র পুঁজিবাদী অর্থনীতির রক্ষা কবচ হয়ে উঠবে। মানুষকে বিচ্ছিন্ন এবং যুদ্ধ উন্মত্ত করতে হবে। কাজেই দিকে দিকে বিচ্ছিনতাবাদ জন্ম নেয়। জাত, ধর্ম, ভাষা, পোশাক ইত্যাদি সমস্ত কিছুর নামেই মানুষ ক্রমশ দ্বিধাবিভক্ত, প্রতিহিংসাপরায়ণ ও আত্মকেন্দ্রিকতায় নিমজ্জিত হতে থাকে!

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হয়। এর একটি দ্বিবার্ষিক এবং দুইটি প্রতিবছর হয়। তিনটি উৎসবই হয় স্বেচ্চাসেবীদের আয়োজনে। এর মাঝে দুইটি উৎসবের আয়োজক দুইটি ফিল্ম সোসাইটি বা চলচ্চিত্র সংসদ। এই উৎসবগুলো আয়োজনের পেছনে অনেক কষ্টের গল্প থাকে।

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

ডিসেম্বর ১১, ২০১৭

প্রতিটা ইটই প্রাণ পেতে চায়। কিছু একটা হতে চায়। প্রতিটি ভবনের আত্মা আছে, আছে মন। যে ভবনের আত্মা নেই সেটির প্রেতাত্মাও আছে হয়তো। ওই রকম ভবনে থাকলে গা ছমছম করতেই পারে।