যে গ্রামের সবাই সঙ্গীতশিল্পী

যে গ্রামের সবাই সঙ্গীতশিল্পী

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮

ভারতের মেঘালয়ের কংথং জঙ্গলের কাছাকাছি একটি গ্রাম। গ্রামটির পাশ দিয়ে গেলেই শোনা যাবে গানের গুঞ্জন। এ গুঞ্জনকে পাখির কলকাকলি ভাবলে ভুল হবে। আসলে পাখির মতো মধুর স্বরে গান করে গ্রামের প্রতিটা মানুষ।


যমজের রাজধানী ইগবো ওরা

যমজের রাজধানী ইগবো ওরা

নাইজেরিয়ার ছোট্ট শহর ইগবো ওরায় প্রতি হাজারে যমজের সংখ্যা গড়ে ১৫৮টি। এ কারণে ইগবো ওরাকে বলা হয়, যমজের রাজধানী। ইগবো ওরায় এ সংখ্যক যমজের ঘটনা বিস্মিত করেছে বিজ্ঞানীদের।


সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮

আখুকা

আখুকা

ছোটবেলা থেকেই আমি খুব আখুকা ছিলাম। আখুকা মানে খাওয়ার পাগল। শুক্রবার আমাদের বাড়ির সামনেই জুম্মাঘরে জুম্মার নামাজের পর খিঁচুড়ি খাওয়া যেত। মিস নেই। কোনো না কোনো বাড়ি থেকে কেউ না কেউ ডিশ ভরে নিয়ে আসতো খিঁচুড়ি। মানতের।


আগস্ট ২৭, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

শেষ পর্ব

আমার ভ্রমণিয়া দিন

সে আমার জীবনে এসেছিল দমকা হাওয়ার মতো। মিলিয়েও গিয়েছিল সহসাই। আসলে সে যে এসেছিল, তখন তা বুঝতে পারিনি, বুঝিনি আরো অনেক অনেকদিন পর্যন্ত, বুঝলাম— যখন আমার যৌবন দুপুরের আকাশ পেরিয়ে খানিকটা বিকেলের দিকে সবে হেলতে শুরু করেছে


আগস্ট ১৬, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

ঈদ না থাকলে বোধ করি জীবনের আনন্দের মানেটাই জানা হতো না। আমার বেড়ে ওঠার দিনে আর আমার পৃথিবীর ভ্রমণযাত্রায় ঈদ প্রজাপতির রঙিন পাখনা, সঙ্গীতের পাখোয়াজ ধ্বনি! সেই রমজানের প্রথম দিন থেকেই শুরু হতো ঈদের দিনের জন্য উদগ্র এক প্রতীক্ষা। ঈদের দিনের আগের বিকেলটা আস্ত রঙধনু হয়ে যেত।


আগস্ট ০৯, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৭

আমার ভ্রমণিয়া দিন

মাঝে মধ্যেই বাড়িতে চরম বিভীষিকা হয়ে সাইকেল নিয়ে হাজির হতেন নিধু ডাক্তার কী অধীর ডাক্তার। তারা বাড়িতে আসামাত্রই মনে হতো যেন সাক্ষাৎ যমদূত সামনে দাঁড়িয়ে। অথচ দুজনের চেহারার মধ্যেই ছিল খাঁটি বাঙালিয়ানার ছাপ। সৌম্য, শান্ত, ধীর মুখশ্রী।


আগস্ট ০২, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৬

আমার ভ্রমণিয়া দিন

মনে পড়ছে চঙ-ঘুড্ডির কথা। আমাদের গ্রামের কাঁঠাল গাছ, আমগাছ, খেঁজুর গাছ, তাল গাছের ছাদ মাড়িয়ে নীল-সাদা আকাশের বুকে চৌকোণা বাক্সের মতো উড়ে বেড়াচ্ছে চিকন চিকন করে কাটা বাঁশের খাঁচার মধ্যে বাদামি কাগজমোড়ানো ঢাউস সাইজের ঘুড্ডিটা।


জুলাই ২৭, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৫

আমার ভ্রমণিয়া দিন

বাংলা মদপানের সঙ্গে বউ মারার যেমন একটা গূঢ় সম্পর্ক আছে, গোঁফেরও যেন কেমন একটা ভারি সংলগ্নতা টের পেতাম। বানেশ্বরের ছিল ইয়া বড় বড় মোটা গোঁফ। সে গোঁফের জন্য বোধহয় গভর্ণমেন্টের কাছ থেকে কোনো ভাতা পেত সে। নাকি এটা কানকথা! শুনেছিলাম বোধহয়।


জুলাই ১৯, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৪

আমার ভ্রমণিয়া দিন

আমি আমার ভ্রমণিয়া দিনে আমার জন্ম থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত বয়সকালের একটা ভ্রমণচিত্র শুধু আঁকবার চেষ্টা করেছি। এটা কোনোক্রমেই আত্মজীবনী নয়, আমার বেড়ে ওঠার দিনের যে-ভ্রমণাংশ, যা আমাকে চিনিয়েছে প্রকৃতি, প্রকৃতির মানুষকে, আমি শুধু তার সারবত্তাকেই তুলে ধরতে চেয়েছি। কিন্তু সম্পূর্ণভাবে কী পেরেছি তা?


জুলাই ১৩, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩৩

আমার ভ্রমণিয়া দিন

সন্ধ্যা এসে রোজ রোজ আমার সেই আনন্দের ভুবনটিকে চুরি করে নিয়ে যেত। খুব মন খারাপ করে বাড়ি ফিরতাম। এই যে বাড়ি ফিরবার পথটুকু, কীভাবে কীভাবে প্রকৃতির আলো অবশেষে সবটুকু একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছে, কীভাবে অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে সবকিছু টেরই পেতাম না।


জুলাই ০৫, ২০১৮

আমার ভ্রমণিয়া দিন

পর্ব ৩২

আমার ভ্রমণিয়া দিন

গাছে দেয়ালে রাজ্জাক-সুচন্দার বেহুলা সিনেমার পোস্টার! যতবার সাভার গিয়েছি আমার ওই আলাভোলা শৈশবে, ততবারই চোখে পড়েছে জহির রায়হানের এই বেহুলার পোস্টারটি! অনেক পরে অবশ্য বুঝেছি ব্যাপারটা, সাভার শহরটা তখন হিন্দুপ্রধান ছিল।


জুন ২৮, ২০১৮

ধারাবাহিক