সৈকত হাবিবের গুচ্ছ কবিতা

সৈকত হাবিবের গুচ্ছ কবিতা

January 18, 2018

হত্যাকারীরা যখন এলো, আমি ‘রোদ রোদ’ বলে চিৎকার করছিলাম। প্রকৃত প্রস্তাবে, তখন রাত ছিল না; ছিল দিন, রোদও ছিল, বলল অন্যরা। কিন্তু আমি শুধু দেখছিলাম অন্ধকার; মগ্ন আঁধারে ছেয়ে আছে আমাদের বিশ্বগ্রাম। তীব্র চেঁচাচ্ছিলাম আমি, ফেটে যাচ্ছিল আমার হৃৎপিণ্ড। চারপাশে ভিড় করে এলো মানুষ।


সৈকত হাবিবের গুচ্ছ কবিতা

সৈকত হাবিবের গুচ্ছ কবিতা

হত্যাকারীরা যখন এলো, আমি ‘রোদ রোদ’ বলে চিৎকার করছিলাম। প্রকৃত প্রস্তাবে, তখন রাত ছিল না; ছিল দিন, রোদও ছিল, বলল অন্যরা। কিন্তু আমি শুধু দেখছিলাম অন্ধকার; মগ্ন আঁধারে ছেয়ে আছে আমাদের বিশ্বগ্রাম। তীব্র চেঁচাচ্ছিলাম আমি, ফেটে যাচ্ছিল আমার হৃৎপিণ্ড। চারপাশে ভিড় করে এলো মানুষ।


জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

এস এম শাহরুখ পিকলুর দুটি কবিতা

এস এম শাহরুখ পিকলুর দুটি কবিতা

নদীর কূলে এসেও পানি না খেতে পারা/প্রেয়সীর যোনি থেকে রস আহরণ করতে না পারলে/টাকার কাণ্ডে হস্ত প্রসারিত করে টেনে না আনতে পারলে/যৌবনের সুধা পান করেও মাতাল না হলে/শিক্ষার জ্যো্তিতে দেহ ও মনটা আলোকিত না হলে/ধর্মকথা শুনেও ধর্মের প্রতি বিতৃষ্ণা না গেলে/মা-বাবার ভালোবাসাতে স্বার্থপরতা দেখতে না পেলে


জানুয়ারি ১৭, ২০১৮

জায়েদ হোসাইন লাকীর তিনটি কবিতা

জায়েদ হোসাইন লাকীর তিনটি কবিতা

লিউনা, চুমোকে পাপ ভাবছ যখন, তখন, আমি কী করে তোমাকে চুমোর শৈল্পিক বিবৃতি মুখস্ত করাই, বলো? একটি গল্প শোনো, কারো কামরাঙা ঠোঁট যখন কাউকে চুমো খাওয়ার জন্য খুব উসকে দেয় তখন প্রেমিক মানে না কোনো চুমোর সংবিধান বা পাপের নিয়ম


জানুয়ারি ১৫, ২০১৮

তুষার কবিরের গুচ্ছ কবিতা

তুষার কবিরের গুচ্ছ কবিতা

বরং তুমি সেই রেস্তোরাঁর কথাই বলো যার ঝাড়বাতিগুলো জেগে ওঠে মাঝরাতে কোনো ভগ্ন বেহালার সুরে— যার আবলুশ রেকাবির পর জেগে থাকে নীলচে নরম নাশপাতি— ফেটে যাওয়া আনারের দানা— রক্তিম গেলাসে যার ঘুরতে থাকে আঙুরের রস, মদ, মোহ, মায়া— ঘুমের গহিনে যাতে বেজে যায় সুরময় ক্যানেস্তা


জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

রুদ্র হাসানের একগুচ্ছ কবিতা

রুদ্র হাসানের একগুচ্ছ কবিতা

মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে, ঠাটায়া দুইটা চুম্মা দিয়া দেই তোর আপেল গালে/তাইলে বুঝবি ভালোবাসা কারে কয়/মাঝে মধ্যে মনটা কয়, তোর চুলের ঝুঁটি ধইরা খুইলা ফালাই/তারপর কানে-কানে না বলা কথা কই, আর মনের মাধুরী মিশায়া বেণী বাইন্দা দেই/তাইলে বুঝবি, কতটা তুই আপনার


জানুয়ারি ১১, ২০১৮

আশিক আকবরের গুচ্ছ কবিতা

আশিক আকবরের গুচ্ছ কবিতা

ভালো আছি। রেল স্টেশনে আছি। জেগে উঠে ঘরের বিছানাকেই রেল স্টেশন মনে হয়। ট্রেন আসে ট্রেন যায়... শুয়ে শুয়ে দেখি, রেল স্টেশনেই থাকি...


জানুয়ারি ০৭, ২০১৮

ডৌল

ডৌল

একেকটা আসমানি ধমক আমাদের টানে চেহারাবিহিনতায়/মুখোশ মুখে সেঁটে থাকে চুম্বকমতো/কখনো সে সুখি, কখনো দুক্ষি, কখনো উন্মত্ত/ধড় আর মুণ্ডু দুখানে এক বিস্তীর্ণ একাকিত্ব/যেই মুহূর্তে সঙ্গ চাই তাকে বলা হয় আত্মার শয়তানি/আর যখন নিসঙ্গতায় আত্মঘাতী হতে চাই/তাকে বলা হয় সমাজের সাথে নাফরমানি


জানুয়ারি ০৫, ২০১৮

জাতবেদা মিশ্র’র দুটি কবিতা

জাতবেদা মিশ্র’র দুটি কবিতা

রাত্রি ভীষণ রাত্রিমাখা দিন/বন্ধ সবই বন্ধ ছিল পথ/চোখের `পরে চোখ ছিল না তোর/একলা ছিলাম একলা স্থানুবৎ/জোনাক কিছু জোনাক ছিল হাতে/জ্বলা কেবল জ্বলা স্মৃতির দাগ/হাত বাড়ালেও হাত ছিল না কারো/অপ্রেমেতেই পুড়ে ছিলাম খাক


জানুয়ারি ০৫, ২০১৮

হাসান আজারকাতের গুচ্ছ কবিতা

হাসান আজারকাতের গুচ্ছ কবিতা

অন্ধকার আবৃত রাতগুলো চরম হতাশাগ্রস্ত/অজানা সংকল্পে প্রহর গুনছে অপেক্ষার/কখন যন্ত্রগুলো হবে বিকলাঙ্গ/কবে পাখিদের মুখরিত কলতান/ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় ঘুম ভাঙাবে


ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

অরিজিৎ কুণ্ডুর গুচ্ছ কবিতা

অরিজিৎ কুণ্ডুর গুচ্ছ কবিতা

একদিন হাওয়া হয়ে যাব/কলেজ স্ট্রীটের মোড়ে চিৎকার করবো, তুমি ছাড়া গন্তব্যই বা কী/আর পথই বা কেন? তুমি ছাড়া চলমান ছবি একরাশ লাশ হয়ে/পড়ে থাক কবরে/তবু এসব কিছুই শুনতে পাবে না তুমি


ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জাতীয় জাদুঘরে চলছে চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ!

জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হয়। এর একটি দ্বিবার্ষিক এবং দুইটি প্রতিবছর হয়। তিনটি উৎসবই হয় স্বেচ্চাসেবীদের আয়োজনে। এর মাঝে দুইটি উৎসবের আয়োজক দুইটি ফিল্ম সোসাইটি বা চলচ্চিত্র সংসদ। এই উৎসবগুলো আয়োজনের পেছনে অনেক কষ্টের গল্প থাকে।

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর

ডিসেম্বর ১১, ২০১৭

প্রতিটা ইটই প্রাণ পেতে চায়। কিছু একটা হতে চায়। প্রতিটি ভবনের আত্মা আছে, আছে মন। যে ভবনের আত্মা নেই সেটির প্রেতাত্মাও আছে হয়তো। ওই রকম ভবনে থাকলে গা ছমছম করতেই পারে।