করোনা আপডেট
আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৩৪৫৮০৫ ২৫২৩৩৫ ৪৮৮১
বিশ্বব্যাপী ৩০৩৭৫৩৯৭ ২২০৬০০১৬ ৯৫০৯৮৮

আফসোস নেই হিনা খানের

ছাড়পত্র ডেস্ক

প্রকাশিত : জুন ২৯, ২০২০

অযোগ্য লোককে বারবার সুযোগ পেতে দেখেছি- নেপোটিজ়ম নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে এভাবেই বললেন ভারতীয় অভিনেত্রী হিনা খান। তার নিজের জার্নি শুরু টেলিভিশন থেকে। তবে বেশ কিছু দিন হল, টেলি-দুনিয়া থেকে সচেতন ভাবেই বিরতি নিয়েছেন ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহেলাতা হ্যায়’-এর অক্ষরা। ওয়েব দুনিয়ায় ‘ড্যামেজড’ ছিল তার অভিনীত প্রথম সিরিজ়, আর ‘আনলক’ হতে চলেছে তার মুভি ডেবিউ। এরইমধ্যে এটির ট্রেইলার প্রকাশিত হয়েছে। সিনেমা হল খোলার অপেক্ষা দীর্ঘতর হচ্ছে, তাই সব ছবিই এখন ওয়েব মুভি। এখন ডিজিটাল ছাড়া আর কোনো মাধ্যম নেই যেহেতু, তাই আরোবেশি করে সিরিজ় আর ছবি করতে চাই, বললেন হিনা। তার মতে, টেলিভিশনের পরিবর্তে হয়ে উঠতে ডিজিটালের আরো সময় লাগবে। টেলিভিশনের নিজস্ব একটা দর্শক রয়েছে, যার সংখ্যা বিপুল। পছন্দের ডেলি সোপ কোনো অ্যাপে দেখালে তবেই সেই অ্যাপ ডাউনলোড করবেন তারা। ‘নাগিন ফোর’-এর অফার গিয়েছিল হিনার কাছে। আগের সিজ়নে না থাকলেও এ বার ‘নাগিন ফাইভ’-এ কি দেখা যেতে পারে তাকে? অন্যত্র কমিটমেন্ট থাকায় যে আগের সিজ়নের অফারটা নিতে পারিনি, সেটা একতা কাপুর জানে। ওর সিদ্ধান্তের জন্যই অপেক্ষা করুন, প্রশ্ন ‘ডজ’ করলেন হিনা। লকডাউনে বই পড়া, রান্নাবান্না, ওয়ার্কআউট, নতুন ছবির ডাবিং... এ সব নিয়েই ব্যস্ত ‌ছিলেন হিনা। আমি যে রূপচর্চাতেও অনেকটা সময় ব্যয় করি, সেটা আমার ইনস্টা-ফলোয়াররা জানেন ! হেয়ার-কাট করালাম সদ্য, বললেন অভিনেত্রী। বয়ফ্রেন্ড রকি জয়সওয়ালের সঙ্গেও দীর্ঘ দিন পরে দেখা-সাক্ষাৎ হচ্ছে এখন। তবে সম্প্রতি সোনম কাপুরের ‘আই অ্যাম প্রিভিলেজড’ টুইটের প্রেক্ষিতে টিভি প্রোডিউসর রকির প্রতিবাদ নিয়ে হিনা মন্তব্য করতে চাইলেন না। চান, সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে সত্যিটা যেন তাড়াতাড়ি সামনে আসে। তিনি নিজে নেপোটিজ়মের শিকার হয়েছেন কি না জানতে চাওয়া হলে বললেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আমাকেও উৎসাহ দেওয়া হত না। ভীষণ মন খারাপ হত তখন। তবে সেই মন খারাপ কখনো হতাশা বা অবসাদের দিকে ঠেলে দেয়নি। এমন নায়িকা বারবার সুযোগ পেয়েছেন আমার জায়গায়, যার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই সব ‘প্রিভিলেজড’দের জন্যই হয়তো আমার মতো আরো বহু ‘আউটসাইডার’কে প্রাপ্য সুযোগ পাওয়ার জন্য অনেক লড়তে হয়। হিনা মনে করেন, টেলিভিশনে এখনো ট্যালেন্টের আগে বিচার্য গ্ল্যামার। টেলিভিশনে এমন অনেক প্রতিভা রয়েছেন, যারা অভিনয়টা দেখানোরই সুযোগ পান না। ভাগ্যক্রমে শুরুর দিকে আমি এমন কিছু প্রজেক্ট পেয়েছিলাম, যা আমার জন্য ক্লিক করে গিয়েছিল। ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহেলাতা হ্যায়’ ভারতীয় টেলিভিশনের অন্যতম দীর্ঘ শো। পরে কমলিকার মতো জনপ্রিয় খলচরিত্র যখন করলাম, সেটাও দর্শক খুব ভাল ভাবে নিলেন। আমার ক্যারিয়ার ‘স্লো বাট স্টেডি’। তবে যদি স্টারকিড হতাম, তা হলে এত দিনে হয়তো চার-পাঁচটা হিট ছবি আর নামী অ্যাওয়ার্ড থাকত ঝুলিতে! শ্লেষ তার গলায়। তবে নিজের জার্নি নিয়ে কোনো আফসোস নেই হিনা খানের।