সাকসেসের মূল হচ্ছে ত্যাগ: জিনবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী

ছাড়পত্র ডেস্ক

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

সাকসেসের মূল ব্যাপার ত্যাগ বলে মন্তব্য করেছেন জিনবিজ্ঞানী ও ধান গবেষক ড. আবেদ চৌধুরী। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার একটি রেস্টুরেন্টে সাপ্তাহিক সীমান্তের ডাক আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আবেদন চৌধুরী বলেন, “আমি যখন মৌলভীবাজার স্কুলে পড়েছি, তখন আমি দুনিয়ার একেবারে খুব ব্রিলিয়ান্ট ছিলাম না। কিন্তু আমি কাজে লেগে আছি। বিজ্ঞানের গবেষণায় আমি লেগে আছি। আমার একটা কমপ্লিট কমিটমেন্ট আছে। আমি সবকিছু ত্যাগ করে এটা করছি। আসলে সাকসেসের মূল ব্যাপারটা হচ্ছে ত্যাগ।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৬৭ সালে যেদিন ইহুদিরা প্রথম জেরুজালেমে প্রবেশ করেছিল, একই সময়ে আইয়ুববিরোধী আন্দোলনও মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। তখন আমি মৌলভীবাজার স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলাম। জেরুজালেমের আন্দোলন আর সিলেটের বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা হয়ে একটি কমন আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল।”

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাওরাঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সুযোগ প্রসঙ্গে ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, “সাস্টে সিলেটিদের জায়গা নেই। আমাদের কোনো ইকুয়িটি নেই। যেমন হাওর এলাকার মানুষের প্রচণ্ড ট্যালেন্টেড ছেলেমেয়ে রয়েছে। তাদের জন্য তো শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা থাকা দরকার। এই কারণেই তো আমরা আন্দোলনটা করেছি।”

দেশের বৈষম্য ও মানুষের বিদেশমুখী হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আমরা হয়তো একশ, দুইশ, এক হাজার, দুই হাজার মানুষ মিলিওনিয়ার, বিলিওনিয়ার। কিন্তু অসংখ্য দরিদ্র মানুষ আছে। তাদের দেশের প্রতি যে আস্থাহীনতা, বিশ্বাসহীনতা; তা তাদের প্ররোচিত করছে বিদেশ চলে যেতে। যেকোনো মূল্যে তারা বিদেশ যেতে চায়। সিলেটিরাও যাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে সীমান্তের ডাক থেকে আবেদ চৌধুরী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষে তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।