চালের দাম বাড়ল

ছাড়পত্র ডেস্ক

প্রকাশিত : অক্টোবর ১৬, ২০২৬

ট্রাকভাড়া বাড়ার কথা বলে চালের দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আটাশ, মিনিকেট ও পাইজাম চালের কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। পাশাপাশি টমেটো, শিম ও কাঁচা মরিচের মতো কয়েকটি সবজিও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মিরপুর ৬, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছেভ, আটাশ চাল প্রতি কেজি ৬৩ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই চালের দাম ছিল ৬২ থেকে ৬৩ টাকা।

মিনিকেট চালের কেজি ৭৫ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২ টাকা বেশি। অন্যদিকে, পাইজাম চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় উঠেছে। তবে গুটি সোনাসহ স্বর্ণাসহ অন্যান্য মোটা চাল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চাল পরিবহনে ট্রাকভাড়া বেড়েছে। পাশাপাশি ধানের দাম বৃদ্ধি ও মৌসুমি প্রভাবও চালের বাজারে পড়েছে। এসব কারণে এক সপ্তাহে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম বেড়েছে।

পরিবহন খরচ বাড়ায় চালের দাম বাড়ার যে ব্যাখ্যা ব্যবসায়ীরা দিচ্ছে, তার প্রভাব খুচরা পর্যায়ে কতটা পড়েছে, তা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণের মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে চালের দাম বাড়ার পেছনে পরিবহন ব্যয়ের পাশাপাশি ধানের দাম ও অন্যান্য কারণের প্রভাবও বিবেচনায় রাখার সুযোগ রয়েছে।

চালের পাশাপাশি সবজির বাজারেও ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। বাজারে বেগুন প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শিম ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং টমেটো ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল ও ঢেঁড়শের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। মাছের বাজারে রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, কই মাছ ২৪০ টাকা, পাঙ্গাস ২৩০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, তেল, চিনি ও ডিমের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। চাল ও কয়েক ধরনের সবজির দাম বাড়লেও এসব পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।