অমিয় রায় দীপ এর ভালবাসার গান গুলো

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৯, ২০১৮

তাকে আমি ডাক নামেতেই ডাকবো
তাকে আমি ডাক নামেতেই ডাকবো
তাকে নিয়ে একটা ছবি আঁকবো
আমি তাকে ডাক নামেতেই ডাকবো
তার নামের শেষে পদবীতে
আমারটা যে রাখবো
তার কথায় কথায় হাসির খেলায়
আদর যে আজ মাখবো
পথের পরে পথ যে আমি
তারই সাথে চলবো
তাকে আমি ডাক নামেতেই ডাকবো
তাকে আমি ডাক নামেতেই ডাকবো
শিশির পড়া ভোরের আলো
আঁধার করা রাতের কালো
গাংচিলেতে মাছ যে খেলো
তাকে নিয়ে দেখবো
ঘুম ভাঙানো রাতের বেলা
জোনাকীর কিছু আলোর খেলা
পথের ধারে ফুলের মেলা
তখন তারই কথা ভাববো
তাকে আমি ডাক নামেতেই ডাকবো
আমি তাকে ডাক নামেতেই ডাকবো

 

 

 (২)

ফেরিওয়ালা
ও ফেরিওয়ালা
দিয়ে যাবে কিছু কাহিনী
লাল নীলের রং আঁকেনি
স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখা হয়নি
সেই অবাক কিছুর মাঝেও আবার
খুঁজছি নতুন ঠিকানা
সেই ঠিকানায় যেতে হলে
চাই যে নতুন বাহানা
ও ফেরিওয়ালা ও ফেরিওয়ালা
পাওয়া যাবে কি সেই বেহালা
যাতে সুর তোলে কাপ পেয়ালা
ও ফেরিওয়ালা
রাস্তা চলে যাওয়া পিচের
কালো
বৃষ্টি ধুয়ে দিলো জমাট
ধুলো
কাদায় দেখো হলো মাখামাখি
রুমাল খুঁজতে গিয়ে ডাকাডাকি
পাচ্ছি না খুঁজে আমি রুমাল
চোর
মুছবো কাদা আমি হচ্ছে
ভোর
ভোরের পরে দেখবে লোকে
কাদার মাঝে আমি বিভোর
ও ফেরিওয়ালা
পাওয়া যাবে কি সেই রুমাল
যাতে মুছে যাবে সব খেয়াল
উঠে দাঁড়াবে সুতোর দেয়াল
ফেরিওয়ারা
ও ফেরিওয়ালা

 

(৩)

খবরের হেডলাইন
স্কুর কামাইয়ে ফাইন
খবরের হেডলাইন
ক্ষুদার দেশে খাচ্ছে ওয়াইন
সব আজব লাগছে দেখ
গুণে গুণে একশ এক
বাকি সাতটি পদ্ম
খুঁজে না পাই
তাই হচ্ছে হেডলাইন
সকাল জুড়েই চলছে তাই
খবরের হেডলাইন
বালিশ চাপায় মশা মরে
জ্বললো আগুন ঘরে ঘরে
কাগজ মোটে ছয় পাতারই
চার পাতা জুড়ে আহাজারি
ছবি আছে ৩ খানা যে
ঝাপসা লাগে তুললো টা কে
চললো গাড়ি কি জানি কাহার বাড়ি
চাকার চাপে হচ্ছে পিষ্ট
পাথর নাকি মানব কষ্ট
সে সব দেখে হাসছে আজ
রামগরুদের ছানা
সেটা নিয়ে হচ্ছে আজের
হেডলাইন
কাগজ খুল্লেই পাবে তাই
খবরের হেডলাইন

 

(৪)

মোমবাতি গলে গিয়ে
সারারাত চলে গিয়ে
ভোরের বেলায় আঁধার
ঘরময় লোকজন
দেখি না তো একজন
তবে কি চোখেরই দোষ
কথাগুলো ফুরোলো
সব বুঝি হারালো
ফেরানো যায় না কি আর
শেষ হলো আজ সেই
অভ্যেস মত কাজ
ভোরের বেলায় আঁধার
হলো আমার
গেল সব গেল বুঝি
আমি শুধু রাত খুঁজি
যখন ছিল সবই
পুরোনো জামা গুলো
আজও সব এলোমেলো
গন্ধ শুঁকি রোজ
জানি আর পাবো না
ছুঁয়ে দেখা হবে না
সেই ঠিক আগের মত
শেষ হলো আজ সেই
অভ্যেস মত কাজ
ভোরের বেলায় আঁধার
হলো আমার

 

(৫) 

ঘুমকে দিলাম ছুটি আমরা
ঘুমকে দিলাম ছুটি
রাতের তাঁরায় কথার মাঝে
আমরা যে প্রেম লুটি
ঘুমকে দিলাম ছুটি আমরা
ঘুমকে দিলাম ছুটি
তাধিন তাধিন নৃত্য করে
ঘুম যে গেল স্বয়ংবরে
আমি তুমি এক আদরে
জেগেই আছি
ঘুমকে দিলাম ছুটি আমরা
ঘুমকে দিলাম ছুটি
রাত যে দেখো আঁধার করে
চাঁদের আলো শহর জুড়ে
ঘুমের বাড়ি নিঝুম পুরে
রাতের আঁধার ঘুমের ঘরে
ঘুমের বিয়ের আড়ম্বরে
নেমন্তন্ন মোদের করে
তবু যে আজ গেলাম না
ঘুমকে দিলাম ছুটি আমরা
ঘুমকে দিলাম ছুটি