উদ্ধত কেশর; সিন্দুরী মেঘ

মাজুল হাসান

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭

১.
মেঘ থেকে কথা পেড়ে আনার বিদ্যা রপ্ত হবে একদিন।
তুলে নাও বজ্রশাসন। আমার চুলে কিন্নর-বিদ্যুৎ খেলে
নাভিতে ঘোলাজল। নারনী—আমার গাধারা পাতা থেকে
নিবিড়তা চেটে খায়; জ্যোছনায় ওদের ঘোড়া বলে
ভ্রম হবে না কখনও। এমনই সৎ। তবু ফুরিয়ে যায়
প্রতিধ্বনিময় চরকা কাটা দিন। নারনী— আসছে বর্ষায়
তদ্ধিত-মেঘ আনবো নিশ্চিত; সাথে গর্ধপের গল্পবিভ্রাট
সিন্দুরী শব্দকোষ...

২.
অই গাছ রক্তচক্ষু, দুর্দান্ত প্রতাপ,
বনানী বিভাজক, মৌলিক
কত ভয়, ঘৃণা এবং ফলদায়ক।
দ্যাখো—দাঁড়িয়েছি; পাশাপাশি—
সেই একই বিব্রত একলা গাছ
কথা বলছি না মুখে, নোটেশনে
কথা বলছে মৃত তানপুরার ছায়া

৩.
রাত ১টার ছুঁইছুঁই ঘড়ি থেকে অসংখ্য রাত ১টা ছুঁইছুঁই
বড় জোর তালুতে তালু রাখতে পারো, মুড়ে দিতে পারো
বিতস্ত্র কব্জি। ইচ্ছের বিপক্ষে খুলতে পারো মুঠি
এমনকি রেডিয়াম শরীরও পারো মর্মে নিভিয়ে দিতে
কিন্তু আমার মুষ্ঠিবদ্ধ তমিস্রা এবং কালো ঘোড়ার
উদ্ধত কেশর ছোঁয়ার সাধ্য কারো নেই; কারো নেই...