করোনা আপডেট
আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪৪৭৩৪১ ৩৬২৪২৮ ৬৩৮৮
বিশ্বব্যাপী ৫৮৯৮৩৫৩১ ৪০৭৬৫৫২১ ১৩৯৩৫৭১
হারুকি মুরাকামি

হারুকি মুরাকামি

‘জীবন একটা ল্যাবরেটবি, যেখানে সবকিছু ট্রাই করা সম্ভব’

প্রকাশিত : আগস্ট ০৯, ২০২০

ডেবোরা হট্রেইস ম্যানের সাথে হারুকি মুরাকামির এই আলাপচারিতা দ্য নিউইয়র্কার এ প্রকাশিত হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির ১০তারিখ। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয় ২০১৮ সালে দ্য নিউইয়র্কার ফেস্টিভ্যালে। এখানে শুধু মুরাকামির সাহিত্য বিষয়ক আলাপচারিতাই থাকলো না, অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়েও আলাপ চলে। ছাড়পত্রের জন্যে লেখাটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন নাহিয়ান ইসলাম

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: দ্য নিউইয়র্কার যখন আপনার Killing Commendatore থেকে একটা লেখা প্রকাশ করে, তখন আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম আপনার লেখার অবাস্তব বিষয়গুলোর ব্যাপারে। আপনি বলেছিলেন, ‘আমি যখন উপন্যাস লিখি তখন বাস্তবতা-অবাস্তবতা একটা আরেকটার সাথে খুব স্বাভাবিকভাবেই মিশে যায়। এমন না যে, আমার পরিকল্পনাই ছিল এটা। যতই আমি চেষ্টা করি বাস্তব ব্যাপারগুলো একটা বাস্তবিক উপায়ে লিখবো, তারচেয়ে বেশি অবাস্তব পৃথিবীটা/অবাস্তব বিষয়গুলো অপরিবর্তনীয়ভাবে আমার লেখায় প্রকাশ হয়ে পড়ে। উপন্যাস আমার কাছে একটা পার্টির মতো,যে কেউ চাইলে এই পার্টিতে জয়েন করতে পারে, আবার চাইলেই বেরিয়ে যেতে পারে।’ তাহলে কিভাবে আপনি এই পার্টিতে মানুষজনকে কিংবা ব্যাপারগুলোকে টেনে আনেন? কিংবা যখন লিখতে থাকেন, তখন কিভাবে আপনি একটা জায়গায় চলে যান?

হারুকি মুরাকামি: আমার বইয়ের পাঠকেরা প্রায়ই বলেন যে, আমার লেখাতে একটা অবাস্তব/অদেখা পৃথিবী আছে। প্রোটাগনিস্ট সেই অবাস্তব পৃথিবী ঘুরে আবার বাস্তবে ফিরে আসে। কিন্তু আমি সবসময় সেই বাস্তব আর অবাস্তব পৃথিবীটার সীমান্তরেখা দেখতে পাই না। তাই অনেক ঘটনাই এরকম, বাস্তব-অবাস্তব মিশে যায়। আমি মনে করি, সেই অবাস্তব দুনিয়াটা আমাদের রোজকার জাপানে বাস্তব জীবনের খুব কাছাকাছি। এবং জাপানিরা যদি দুনিয়াটার অপরদিকে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, এটা আমাদের জন্য তেমন কঠিন হবে না। কিন্তু পশ্চিমা দুনিয়ায় এটা মোটেই সহজ হবে না। এটা করতে গেলে আপনাকে অনেক পরীক্ষার ভেতের দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু জাপানে এটা সহজ, তাই আমার গল্পগুলোর শেষে দেখতে পাবেন সেই অন্য দুনিয়াটা, এবং আপনি দুই দুনিয়ার মাঝে তফাৎও করতে পারবেন না।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: অন্য দুনিয়াটা কি অন্ধকার?

হারুকি মুরাকামি: জরুরি না। আমি মনে করি, এটার জন্য অনেক বেশি কৌতূহল দরকার। ধরা যাক, একটা দরজা, আপনি যদি এটা খুলতে পারেন এবং ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন, তাহলে তো হলোই। এটাকে বলে কৌতূহল। ভেতরে আসলে কী আছে? উপরে কী আছে? আমি যখন একটা উপন্যাস লিখি, আমি চারটার দিকে ঘুম থেকে উঠি এবং টেবিলে বসি। এটা একটা বাস্তব দুনিয়ার ঘটনা। আমি কফি খাই। কিন্তু যখন আমি লিখতে শুরু করি, আমি অন্য কোথাও চলে যাই।

আমি দরজাটা খুলি, তারপর সেখানে ঢুকে দেখি কী ঘটতেছে। আমি জানি না, আমি কেয়ারও করি না, এটা বাস্তবনা নাকি অবাস্তব দুনিয়া। যখনই আমি লেখায় মনোযোগ দেই, আমি খুব গভীরে চলে যাই, একটা আন্ডারগ্রাউন্ডের মতো। আমি তখন অদ্ভুত ব্যাপারগুলোর মুখোমুখি হই। স্বাভাবিক, কিন্তু যখনই আমি নিজের চোখে সেগুলোকে দেখি, জীবন্ত মনে হয়। এবং সেখানে যদি অন্ধকার কিছু থাকে, সে অন্ধকার আমাকেও গ্রাস করে, এটার কোনো বার্তাও থাকতে পারে। আমি সেই বার্তাগুলো বোঝার চেষ্টা করি। তখন আমি সেই দুনিয়াটার চারদিকে তাকাই, এবং যা দেখি তাই বর্ণনা করি। ফিরে আসি সেখান থেকে। ফিরে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ফিরে আসতে না পারেন, ব্যাপারটা হবে ভয়ংকর। কিন্তু আমিতো পেশাদার, আমি ফিরে আসতে পারি।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: ফিরে আসার সময় আপনি কিছু নিয়ে ফিরে আসেন?

হারুকি মুরাকামি: না, সেটাও ভয়ংকর হবে। আমি ব্যাপারগুলোকে সেখানেই রেখে আসি। যখন আমি লিখি না, তখন আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ। আমি ডেইলি রুটিন মেনে চলি। আমি নয়টার ভেতরে ঘুমাতে যাই, যদি না টিভিতে বেসবল খেলা তখনো চলতে থাকে। আমি দৌড়াই, সাঁতরাই। আমি সাদামাটা ভদ্রলোক। তাই যখন আমি রাস্তায় হাঁটি তখন কেউ যদি বলে, ‘এক্সকিউজ মি মিস্টার মুরাকামি, নাইস টু মিট ইউ,  আমার ব্যাপারটা খারাপ লাগে। আমি বিশেষ কেউ না। আমার সাথে দেখা হলে আপনি কেন নিজেকে সুখি মনে করেন? তবে আমি মনে করি, যখন আমি লিখি, তখন অন্তত আমি বিশেষ একজন, অন্যরকম।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: আপনি বলেছেন, আপনার প্রথম দুটো বই লেখা আপনার জন্য খুবই সহজ ছিল, এবং তারপর থেকেই ব্যাপারটা আপনার কাছে কঠিন হতে থাকে। তখন আপনার কাছে যুদ্ধটা কেমন ছিল?

হারুকি মুরাকামি: যখন আমি আমার প্রথম দুইটা বই লিখেছিলাম, হিয়ারদ্যউইন্ডসিং ও পিনবল ১৯৭৩, আমার কাছে এই বইদুইটা লেখা খুবই সহজ ছিল। কিন্তু বই দুইটা নিয়ে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম না। এখনো না। বই দুইটা লেখার পর আমি আরো উচ্চাভিলাষী হয়ে উঠি। তখন আমি আমার প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস লিখি, দ্য ওয়াইল্ড শিপচেজ (বাকি দুটো ছিল নভেলার মতো)। তিন চার বছর সময় লেগেছিল তখন। তাই আমি মনে করি, আওয়াইল্ড শিপচেজ মূলত আমার সত্যিকার ক্যারিয়ারের স্টার্টিং পয়েন্ট। প্রথম তিন বছর আমি লিখেছি, যখন আমি একটা জ্যাজ ক্লাবের মালিক হিসাবে কাজ করতেছিলাম। রাত দুইটার মধ্যে আমার কাজ শেষ করতে হতো এবং কিচেনের টেবিলেই লিখতে বসতে হতো। ব্যাপারটা আমি মেনে নিতে পারতে ছিলাম না। প্রথম দুইটা বই বের হওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে ক্লাবটা বিক্রি করতে হবে। একজন ফুলটাইম লেখক হতে হবে। কিন্তু ক্লাবটা খুব ভালো চলছিল এবং সবাই বলতেছিল আমি যেন এটা বিক্রি না করি।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: দিনের কাজকাম ছাড়লেন না!
হারুকি মুরাকামি: তারপরই আমি লিখি দ্য ওয়াইল্ড শিপচেজ, আমি একটা বড় বই লিখতে চাচ্ছিলাম।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: তাহলে বড় বই লেখা কি খুব সহজ ছিল নাকি চ্যালেঞ্জিং?
হারুকি মুরাকামি: যখন আমি দ্য ওয়াইল্ড শিপচেজ লিখি, তখন আমি খুবই উত্তেজনায় ছিলাম। কারণ,আমি জানতাম না পরবর্তীতে কী ঘটতে যাচ্ছে। পরবর্তী দিনটার জন্য আমার অপেক্ষা সইতো না, তাই আমি খুঁজতাম পরবর্তীতে কী ঘটবে। তখন আমাকে লিখতে হতো।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: কখনো কি এমন হয়েছে, পরবর্তীতে কী ঘটতে যাচ্ছে আপনার এমন কোনও আইডিয়াই নেই, আপনি বসে আছেন এবং আপনি আর কিছু লিখতে পারতেছেন না?
হারুকি মুরাকামি: রাইটার্স ব্লক ব্যাপারটা আমার ক্ষেত্রে কখনো ঘটেনি। আমি যখনই লেখার টেবিলে বসেছি, স্বাভাবিকভাবেই পরবর্তী ঘটনাগুলো ঘটতে থাকে। যখন লিখতে চাই না, লিখি না। ম্যাগাজিনগুলো সবসময়ই আমার কাছে লেখা চায়, কিন্তু আমি না করে দেই। যখন আমার লিখতে ইচ্ছে হয়, যা লিখতে ইচ্ছে হয় লিখি। এটাই আমার লেখার প্রক্রিয়া।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: ঘুমের মধ্যেও আপনার গল্পের প্লট পেয়ে যান নাকি?
হারুকি মুরাকামি: না, তেমনটা না। আমি তো স্বপ্নই দেখি না। গল্প গল্পই, স্বপ্ন স্বপ্নই। আমার ক্ষেত্রে লেখালেখি ব্যাপারটা স্বপ্নের মতোই। যখন আমি লিখি, তখন ইচ্ছানুযায়ী স্বপ্ন টেনে আনতে পারি। আমি শুরু এবং শেষ করতে পারি। ইচ্ছে করলে পরদিনও সেটা চালু রাখতে পারি। ধরেন, আপনি ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখতেছেন, হাতে মাংসের স্টেক, বিয়ার, সাথে সুন্দরী মেয়ে। কিন্তু ঘুম ভেঙে যাওয়ার সাথে সাথেই সব শেষ। কিন্তু যখন আমি লিখি, এমনটা হবে না।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: কয়েক বছর আগে আপনি আমাকে বলেছিলেন, যখন আপনি একটা উপন্যাস নিয়ে কাজ করতেছিলেন, আপনার কাছে কিছু আইডিয়া কিংবা শব্দবন্ধের তালিকা ছিল, যেমন A talking monkey, A man who disappears on the stairs,  উপন্যাসটা শেষ হওয়ার পর আপনি গল্প লিখতে বসেন, এবং বলেছিলেন, প্রত্যেকটা গল্পে লিস্ট থেকে অন্তত দুই, তিনটা জিনিসটা আছে। আপনি কি প্রায়ই এইরকমভাবে লেখালেখি করেন?

হারুকি মুরাকামি: একবার যখন আমি একসাথে ছয়টা গল্প লিখেছিলাম, তখন এমনটা হয়েছিল। তখন এই কীওয়ার্ডগুলো আমার কাজে লেগেছিল। কিন্তু উপন্যাস লেখার সময় এমনটা করার দরকার হয় না। আমার নিয়ম হচ্ছে, প্রত্যেকবারই নতুন কিছু ট্রাই করা। আমার প্রথম দিকের বেশির ভাগ বই উত্তম পুরুষে লেখা। 1Q84 বইটাতে আমি তিনটা তৃতীয় পুরুষ চরিত্র রেখেছিলাম। সেটা আমার কাছে একরকম চ্যালেঞ্জ ছিল। আমার লেখার ন্যারেটর, প্রোটাগনিস্ট হয়তো আমিই হতে পারতাম। এটা আমার একরকম অল্টারনেটিভও হতে পারে। বাস্তবজীবনে আমি মূলত আমিই, অন্যকেউ হতে পারি না। কিন্তু গল্প, উপন্যাসে আমি যে কেউ একজন হয়ে যেতে পারি। এটাকে আপনি একপ্রকার থেরাপিও বলতে পারেন। আপনি লিখতে পারলে আপনি ধরাবাধা কেউ নন। আপনি যে কেউ হয়ে যেতে পারেন, আপনার সে সম্ভাবনা আছে।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: আপনি একই সময়ে দৌড়ানো ও লেখালেখি শুরু করেছিলেন। অনেক লেখকই হাঁটতে হাঁটতে মনে মনে লিখতে পছন্দ করেন, হাঁটাহাঁটির রিদমটা হয়তো তাদেরকে সাহায্য করে। দৌড়ানোর সময় আপনি কি লেখালেখি নিয়ে ভাবেন?

হারুকি মুরাকামি: না, মোটেই না। যখন আমি দৌড়াই,শুধু দৌড়াতে থাকি। আমার মনে তখন কিছুই থাকে না। আমি যখন দৌড়াই, তখন আমি কী ভাবতেছি এমন কোনও আইডিয়াই থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে লেখার জন্য আপনাকে অনেক টাফ হতে হয়। একটা বই লেখা হয়তো তেমন কঠিন কোনো ব্যাপার না, কিন্তু অনেক বছর ধরে লেখালেখি করাটা প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি। তখন আপনার দরকার হবে মনোযোগ শক্তি ও সহ্য ক্ষমতার। আমি প্রায়ই উল্টাপাল্টা জিনিস লিখে থাকি। অদ্ভুত লেখা। রহস্যময়। আমার মনে হয় আপনি যদি এরকম কিছু লিখতে চান, আপনাকে ফিট থাকতে হবে। এটা প্যারাডক্স হলেও সত্য। অনেক লেখকই বোদলেয়ারের মতো বিশৃঙ্খল জীবনযাপন করে থাকেন। কিন্তু সেই দিন আর নেই। বর্তমান বিশ্ব খুবই জটিল। এখানে ঝামেলা এড়িয়ে আপনি যদি টিকে থাকতে চান, আপনাকে যথেষ্ট শক্ত থাকতে হবে। ত্রিশ বছর বয়সে আমি লেখা শুরু করি, দৌড়াতে শুরু করি একত্রিশ/বত্রিশ বছর বয়সে। আমি প্রত্যেক দিন দৌড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কারণ আমি দেখতে চেয়েছিলাম কী ঘটে। আমার মতে জীবন একটা ল্যাবরেটরির মতো, যেখানে আপনি সব কিছু ট্রাই করতে পারেন। এবং দৌড়ানো ব্যাপারটা আমার জন্য ভালো ছিল। কারণ টিকে থাকার জন্য আমি টাফ হয়ে উঠতে পেরেছিলাম।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: আপনি একবার বলেছিলেন, আপনার জীবনের স্বপ্ন ছিল একটা কুয়ার তলায় বসে থাকা। আপনার (বইয়ের) অনেকগুলো চরিত্র আছে, এরকম করে থাকে। Killing Commendatoreতেও এরকম একটা চরিত্র আছে, মেনশিকি। কেন এরকম করে?

হারুকি মুরাকামি: আমি কুয়া ভালোবাসি। রেফ্রিজারেটর, হাতি। এরকম অনেক জিনিস আমার পছন্দের। যখন আমি আমার পছন্দের জিনিস নিয়ে লিখতে পারি, নিজেকে সুখী মনে করি তখন। যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার বাড়িতে একটা কুয়া ছিল, আমি সারাক্ষণ কুয়াটার দিকে চেয়ে থাকতাম, এভাবেই আমার কল্পনা বাড়তে থাকে। শুকনো কুয়ায় পড়ে যাওয়া নিয়ে রেমন্ডকারভারের একটা ছোটগল্প আছে। গল্পটা আমার পছন্দের।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: কখনো কি কুয়ার নিচে যেতে চেষ্টা করেছিলেন?
হারুকি মুরাকামি: না। এটা ভয়ংকর। এটা শুধুই আমার কল্পনা। কিন্তু আমি গুহাও খুব ভালোবাসি। যখন আমি বিশ্বভ্রমণে বের হই এবং কোথাও গুহা দেখি, সেখানে ঢুকি। গুহা পছন্দের, কিন্তু উঁচু জায়গা অপছন্দের।

ডেবোরা হট্রেইস ম্যান: উপরের চেয়ে নিচু জায়গা যেতেই ভালোবাসেন?
হারুকিমুরাকামি: অনেকেই বলে এটা সাবকনশাস মানুষের একপ্রকার মেটাফোর। কিন্তু আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়ার্ল্ডে সত্যিই আমার আগ্রহ আছে।