ঔপন্যাসিক মণীষ ঘটকের আজ মৃত্যুদিন
ছাড়পত্র ডেস্কপ্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কবি, গল্পকার ও ঔপন্যাসিক মণীষ ঘটকের আজ মৃত্যুদিন। ১৯৭৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ১৯০২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের বাসিন্দা ছিলেন তিনি।
পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের পাবনার নতুন ভারেঙ্গা। তার পিতার নাম সুরেশচন্দ্র। সুরেশচন্দ্র ডেপুটি এবং পরে ম্যাজিস্ট্রেট হন। তাই মণীশ ঘটককে পিতার কর্মসূত্রে পূর্ববঙ্গের নানা জায়গায় কাটাতে হয়েছিল। মণীষের ভাই প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক ও সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী তার কন্যা।
মণীশ ঘটক ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। তার ছদ্মনাম যুবনাশ্ব। `কল্লোল` যুগের খ্যাতনামা কবি-সাহিত্যিক। ইনকাম ট্যাক্সের কনসালট্যান্ট হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও মণীশের পরিচয় ছোটগল্পকার হিসেবে।
পাবলো নেরুদার অনেক কবিতা তিনি অনুবাদ করেন। তার কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছে: শিলালিপি, যদিও সন্ধ্যা, একচক্রা,কন্ খন, পটলডাঙার পাঁচালী।
মণীশ ঘটক আয়কর উপদেষ্টা হিসেবে যথেষ্ট সফলতা পেয়েছিলেন। ১৯২৪ সালে গল্পকার হিসেবে তার সাহিত্যজীবন শুরু হয়। সেই সময় কবি হিসেবেও তার আত্মপ্রকাশ।
তার রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ শিলালিপি। ‘মান্ধাতার বাবার আমল’ তার রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। বহরমপুর থেকে বর্তিকা নামের একটি লিটল ম্যাগাজিন তিনি আমৃত্যু সম্পাদনা করেন।
তিনি ঢাকা থেকে ১৯২৭ সাল ও পরবর্তীকালে প্রকাশিত বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্তের সম্পাদিত প্রগতি পত্রিকার সাথে জড়িত নিয়মিত তরুণ কণ্ঠস্বর ছিলেন।
























