কবি আহসান হাবীবের আজ জন্মদিন
ছাড়পত্র ডেস্কপ্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কবি আহসান হাবীবের আজ জন্মদিন। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি তৎকালীন বাকেরগঞ্জ, বর্তমানে পিরোজপুরের শঙ্করপাশা গ্রামে তার জন্ম।
আহসান হাবীবের কবিতায় মধ্যবিত্তের সংকট ও জীবনযন্ত্রণা গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। সামাজিক বাস্তবতা, মধ্যবিত্ত শ্রেণির সংগ্রামী চেতনা এবং সমকালীন যুগ যন্ত্রণা তার কবিতায় শিল্পসম্মতভাবে পরিস্ফুটিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন তিনি দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া দৈনিক আজাদ, মাসিক মোহাম্মদী, দৈনিক কৃষক, দৈনিক ইত্তেহাদ, সাপ্তাহিক প্রবাহ পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন তিনি।
কলকাতায় আকাশবাণীতে `গল্প দাদুর আসর` পরিচালনা করেন আহসান হাবীব। ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তার প্রবন্ধ `ধরম` ও প্রথম কবিতা `মায়ের কবরপাড়ে কিশোর` প্রকাশ পায়। প্রথম কবিতার বই `রাত্রি শেষে` প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
আহসান হাবীবের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো: ছায়া হরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাব, দুই হাতে দুই আদিম পাথর এবং প্রেমের কবিতা। শিশুসাহিত্যেও অনবদ্য অবদান আছে তার।
আহসান হাবীব ১৯৪৭ সালে বিয়ে করেন বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া নিবাসী মহসীন আলী মিয়ার কন্যা সুফিয়া খাতুনকে। তিনি দুই কন্যা কেয়া চৌধুরী ও জোহরা নাসরীন এবং দুই পুত্র মঈনুল আহসান সাবের ও মনজুরুল আহসান জাবেরের জনক।
কবি পুত্র সাবের স্বনামখ্যাত বাংলা ঔপন্যাসিক ও প্রকাশনালয় দিব্যপ্রকাশের কর্ণধার। কবি আহসান হাবীব ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ৬৮ বছর বয়সে মারা যান।
বাংলা ভাষা সাহিত্যে অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৪ সালে মরণোত্তর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার ও একাডেমি পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদকএবং আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার অর্জন করেন।






















