‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

ছাড়পত্র ডেস্ক

প্রকাশিত : জানুয়ারি ২০, ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন। সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত ৩টি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল।”

তিনি আরও বলেন, “আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কিনা তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।”

শেখ বশির উদ্দীন বলেন, “এত টাকা খরচ করে পদ্মা সেতু না বানিয়ে যদি ইরিগেশনে ব্যয় করা যেত চালের দাম ৫ টাকা কমে যেত। আজ চালের দাম ২০ টাকা বেড়ে গেছে পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারি তাহলে এটি যে টিউমার তৈরি করবে এর সঙ্গে চলতে পারবেন না। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক আপনারা যখন কোনো দাবি করবেন, এটা মাথায় রাখতে হবে যে, আমার ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে। না হলে নাগরিক হিসেবে আপনি ঠকে যাবেন।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধিকাংশ স্থল বন্দরের কোনো দরকার ছিল না। এসবের কোনো কার্যকারিতাও নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করে ফেলেছে। শেখ হাসিনা অসম্ভব রকম দুর্বৃত্তায়ন করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানো। ব্যয় করে আয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানোর মতো চিন্তা তার মাথায় কখনোই ছিল না। তাই শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সমুন্নত রাখা।”