উজ্জ্বল রহিমের কবিতা ‘আমেরিকা: শান্তির মুখোশে এক নিখুঁত জল্লাদ’
মার্চ ১৪, ২০২৬
সভ্যতার গ্লসি মলাট বিশ্বমঞ্চে ঝকঝক, আর আড়ালে লুকানো আদিম ও বীভৎস লালসা
তানভীর রাতুলের ৪ কবিতা
কারো সাথে একা ভালোমন্দকথা বলার জন্য শত শত শ্রোতার সামনে ভাষণ দেওয়ার চেয়ে আরও সাহসের প্রয়োজন আমার, যা আমি কখনও করিনি এবং সম্ভবত কখনও করবও না।
মার্চ ২৭, ২০২২
সুদীপ্ত সাধুখাঁর কবিতা ‘ছিহ্ আগুন’
ফুরিয়ে যাওয়া রাত্রিজুড়ে/লুম্পেনেরা খেলছে জুয়া/মাথার ভেতর চুঁইয়ে পড়ে/তীব্র আকর বন মহুয়া
মার্চ ২৬, ২০২২
কায়কোবাদের চারটি বিখ্যাত কবিতা
কে ওই শোনাল মোরে আযানের ধ্বনি/মর্মে মর্মে সেই সুর, বাজিল কি সুমধুর/আকুল হইল প্রাণ, নাচিল ধমনী/কি মধুর আযানের ধ্বনি!
মার্চ ২৫, ২০২২
অমিত কুমার কুণ্ডুর কবিতা ‘কবি তুমি পালাও’
যেখানে ভালোবাসতে গেলে সমাজের অনুমতি নেয়া লাগে সেখানে আর যাই হোক, কবিতা লেখা যায় না। ভেজা ঠোঁটের স্পর্শে কবিতা প্রাণ পায়—কবিতার পাপড়িগুলো গোলাপের মতো বিকশিত হয়।
মার্চ ২৩, ২০২২
শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ৫ কবিতা
মনে মনে বহুদূর চলে গেছি— যেখান থেকে ফিরতে হলে আরো একবার জন্মাতে হয়/জন্মেই হাঁটতে হয়/হাঁটতে-হাঁটতে হাঁটতে-হাঁটতে
একসময় যেখান থেকে শুরু করেছিলাম সেখানে পৌঁছুতে পারি
মার্চ ২৩, ২০২২
আবু তাহের সরফরাজের চারটি সুফিকবিতা
আমি মারা যাচ্ছি, দেখতে পাচ্ছি মৃত্যুদূত/বিশাল দুই ডানায় ভর দিয়ে ছুটে আসছেন আমার দিকে/তারমানে আমি মরে যাব, আর কিছু সময়
মার্চ ১৭, ২০২২
অরিজিৎ কুণ্ডুর ৮ কবিতা
আপসোস শিউলির যে, সে কখনও শিউলি, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পাতাবাহার দেখেনি। এসব দেখি আমি। আমি শহরের ‘সমাজতান্ত্রিক’ বিপ্লবীদেরও দেখি, এক দলের সাথে আরেক দলের বিরোধিতা নৈকট্য গসিপ দেখি, যা হয়
মার্চ ১৩, ২০২২
কাউসার মাহমুদের গদ্যকবিতা ‘পথ, পাথর ও ফুল’
বিস্মৃত প্রতিটি পদক্ষেপ—আমাদেরই তিরোহিত অতীতের অনুবর্তিতা। যত লক্ষ ক্রোশই অতিক্রান্ত করে আসি না কেন, সমস্ত ঘুরে ওই একটিমাত্র বিস্ময় আকীর্ণ পথের ধারেই থামতে হয়। এত কোলাহল
মার্চ ১১, ২০২২
সরকার আজিজের ৩ কবিতা
শরীর এক গলিপথ, টুকরো টুকরো/বয়সের ফেরে শিশুকাল ভাঙার মতো/বোতাম আসলে সাদা-জামার কল্লোল
মার্চ ০৮, ২০২২
অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছড়া
চন্ডীচরণ দাস ছিল/পড়তে পড়তে হাসছিল/হাসতে হাসতে হাঁস হল/হায় কী সর্বনাশ হল/বিশ্বমোহন বল ছিল/ঘাসের ওপর চলছিল
মার্চ ০৫, ২০২২
























