আবু তাহের সরফরাজের বর্ণমালার ছড়া

প্রকাশিত : মার্চ ২৬, ২০১৮

অন্তস্থ য ফলার ব্যবহার

হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁচকা
টেনে তোল বোচকা।
ব্যাগ হাতে প্যানপ্যান
এসে করে ঘ্যানঘ্যান।

ছ্যা ছ্যা ছ্যাঁচরা
চুলগুলো আঁচড়া।
আসে যদি ফ্যাঁকড়া
ধরে আনো কাঁকড়া।

ফ্যা ফ্যা ফ্যালনা
ন্যালনেলে খ্যালনা।
ক্যাঁটক্যাঁট ক্যাবলা
তুই নাকি ছ্যাবলা?

চ্যাপটা নাক তোর
প্যাচপেচে ঘরদোর।
ভ্যানভ্যান করে মাছি
ড্যাং ড্যাং এলে বাঁচি।

ঠ্যাং তুলে ক্যাঁচ ক্যাঁচ
ভ্যা ভ্যা কাঁদে ম্যাচ।
ব্যাংকের ম্যানেজার
ঢ্যামনা টিনেজার।

প্যাঁচা তুই চ্যাঁচাতো
ভাই তোর জ্যাঠাতো।
পানতায় খান তো?
সাপ-বেজি জ্যানতো?

ম্যালেরিয়া ফ্যাসাদে
এসে বলে, কাঁছা দে।
আয়-ব্যয় হলে দুই
ফুটপাথে এসো শুই।

গ্যাট হয়ে বসে থাকো
খ্যাতি হলে ছবি আঁকো।
প্যাঁক প্যাঁক চ্যাংদোলা
কাজ তার ঠ্যাং তোলা।

ব্যাপার দেখে ন্যাংটাপুটো
আনলো ধরে ব্যঙ্গ দুটো।
ক্যাচর ক্যাচর গরুর গাড়ি
ব্যাকুলতা যাচ্ছে বাড়ি।

প্যাকিং করো ব্যবসা
পড়লে গরম ভ্যাপসা।
ফ্যালফ্যাল সারাদিন
ঘুরে বলে, ভাত দিন।

চেয়ে দ্যাখো ড্যাবড্যাব
টেবিলের ওই ম্যাপ।

 

ঔ কার

চৌকাঠ পেরিয়ে
এলো সে বেড়িয়ে।
সৌভিক যৌবনে
গিয়েছিল ঝাউবনে।
কৌটায় ভৌতিক
দৌলত আছে ঠিক।
এই গাড়ি মৌলিক
চাকা তাই হয় লিক।

নদী বিধৌত
কী করি কও তো?
দেও যদি যৌতুক
করো না কৌতুক।
করো যদি গৌরব
থাকে না সৌরভ।
মেয়েটি গৌরী
ওড়ে পানকৌড়ি।

চৌকস চৌধুরী
গুড় দিয়ে খাও মুড়ি।
ফৌজদারি আদালতে
দৌড়ঝাপ দিনেরাতে।
সৌখিন সৌধ
বানিয়েছে যৌথ।

চৌচির খালবিল উল্টানো নৌকো
পৌরসভা থেকে গাড়ি এলো চৌকো।