ইরানে একের পর এক বাতিল হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট
ছাড়পত্র ডেস্কপ্রকাশিত : জানুয়ারি ১১, ২০২৬
সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ইরানে একের পর এক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করছে বিশ্বের বিভিন্ন নামি বিমানসংস্থা।
শনিবার লুফথানসা, ফ্লাইদুবাই, তুর্কিশ এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারওয়েজ এবং অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইন্সের মতো বড় কোম্পানিগুলো ইরানে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।
দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ফ্লাইদুবাইয়েরই তেহরান, শিরাজ ও মাশহাদগামী অন্তত ১৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই পরিস্থিতি দেখা গেছে এমিরেটস ও ওমান এয়ারের ক্ষেত্রেও।
তুরস্কের জাতীয় বিমানসংস্থা তুর্কিশ এয়ারলাইন্সও দেশটির সাম্প্রতিক পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে তেহরান ও তাবরিজসহ বিভিন্ন রুটের ১৭টি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। তাদের সহযোগী সংস্থা এ-জেটও তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
২৮ ডিসেম্বর থেকে রিয়েলের অবমূল্যায়নকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পরিবর্তনের বিশাল আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করেছে।
বিমানসংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে শিশুসহ অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে এবং ব্যাপক ধরপাকড় চলছে।
স্থানীয় বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, দাঙ্গার অভিযোগে এরই মধ্যে কয়েকশো মানুষকে আটক করা হয়েছে। সামগ্রিক এই সহিংস পরিবেশ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণেই আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো আপাতত ইরানে তাদের পরিষেবা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
























