তানিম কবিরের হেমন্তের কবিতা
প্রকাশিত : নভেম্বর ০৩, ২০১৭
হেমন্ত বিভাগীয় ঋতু
নির্মীয়মাণ দালান থেকে ভাঙা ইটের গুঁড়া
উড়তে বেরোয় হেমন্তে আর মিশতে থাকে হাওয়ায়
দুইটা হলুদ ক্যাব চলে যায় দুইটা তাদের যাওয়ায়
ঠাঁয় দাঁড়িয়ে হাইওয়েতে মনমরা ইঞ্জিনে
এমন তো হয় হেমন্তে হয়—অতিক্রমণ দ্বিধায়
সকল লোকের কাছেই সকল লোক পড়ে রয় বিধায়
হঠাৎ বিকেল শেষ হয়ে যায় বিনম্র জন্ডিসে
শরীর গুলায় জিভের ডগায় মেরুন বালির স্বাদে
হেমন্ত সব আগের মতোই রাখার অবসাদে
তোমার ছাদের ওপর তোমায় দাঁড় করিয়ে দেবে
হেমন্তাতীত
হেমন্তে কেউ কোনো বিল পাবে না
মূলত চায়ের, আর বিকেলের দিকে কিছু
অন্যকিছুও খুবই বাকিতে কেনার এক
উৎসব পড়ে যাবে, সেই উৎসবে
কার সাথে যেন খুবই দেখা হয়ে যাক
কথা না হওয়ার মতো গাঢ় এক যে বিকেল
ফুরিয়ে যাওয়ার প্রাক আচরণে
মোড়ানো থাকে
সে বিকেল চলে আসে ঝুপ করে একদিন
কেন আসে সে প্রশ্ন হেমন্ত শেষ হলে ওঠে
একটি মালের বগি যেকোনো ইস্টিশনে
এ দুটি মাসের তরে একা পড়ে থাকে
হেমন্তের পোষা ট্রাক্টর
এমন তো হতে পারে
হেমন্তে মরে গেছি নিজের মতো
যেন মৃত্যুর কোনো বাছাইকৃত;
ঋতুর আবহে আমি
আপন আনন্দের হাতে রেখে হাত
মরে গেছি—আমিহীন একটা প্রভাত
বুঝব ব’লে
হতে পারে ধুলো
উড়িয়ে ছুটছে পোষা ট্রাক্টরগুলো;
বিকেলের আগে আগে
আমার বিলীন হাওয়া একবার
বয়ে গেছে ঠান্ডা করে
হেমন্তে হতে পারে এপ্রকার কিছু;
তদ্রূপ, নাও হতে পারে
এগেইন
হেমন্ত পুনঃ পুনঃ আসে
রেলের বাঁকের পাশে
আশা পড়ে থাকে তবু
তাহাকে পাবার—
আমি তার না থাকার
ব্যথাটাকে কেন যেন
টের পেতে চেয়েছি আবার























