অলংকরণ: রিফাত বিন সালাম

অলংকরণ: রিফাত বিন সালাম

দিপংকর মারডুকের ৩ কবিতা

প্রকাশিত : জুন ১৬, ২০২৬

বাদামি ওজনে নাচছে ঘোড়া
এটা সকালের রেস্তোরাঁ থেকে ফেলে আসা ফুটপাত মিশ্রিত একটা চোরাবালির পাহাড়। অনন্য উষ্ণতার ঘোড়াটি পার করি প্রতিদিন। যদি মাঝরাতে ঘুম ঘুম খামারের আঘাত চাষ করতে হয় বিপরীত যানজটের দিকনির্দেশনার মতো। এবং অংশের সামান্য ওপরে টেনে তোলার অধিক। কেবল স্রোতে পাবে তুমি সামুদ্রিক হাওয়ার স্থায়ী প্রতিফলন। ক্ষত, পাথর—চারপাশ একটি কারাগার আলোকপাত করে যাব শেষ অরণ্যে। তীর ভাঙা বাহিরের আগে ও পরে। আকাশের দেখো ডাকছে কালনির মরণনৃত্য মেঘ। তাবৎ যেতে হবে অপেক্ষা কক্ষে। বাদামের নীল অনুশীলনে সর্বদায়।
কী তোমার পায়ের ভারসাম্য রক্ষা? ছোট বেলুনের ওজন ছুটে কতবার করতে পারো শরীল সম্পর্কে যথেষ্ট ডাকাতি? এর আগে, বহু আগে তেতাল্লিশ রাউন্ড ধরে ঘুরছে, নাচছে—ঘোড়া! শিরো পার করা দুটি বিরহ পাতা নিয়ে কিম্ভূতকিমাকার!

পরিপূর্ণতার নিচে অন্যান্য কফিন
ক্ষেত্রটি পার হচ্ছি—আয়নার মাঝখান দিয়ে। অন্ধকার, উত্তাল কে তুমি বিস্ময়কর? তোমার কাছে পড়ে আছে ঘাসের দেহ—ঘূর্ণায়মান আর এলোমেলো। নাও মাটি, লাল বাস থেকে শোকযাত্রা হেঁটে পুরানো সমুদ্র খনন। এখন এই  দানাদার থেমে থেমে পারো যদি ধূলিপথ দিয়ো সবুজ গাছে নিভে যাওয়া লোহাগড়াকে। আমি দাঁড়িয়েছি ক্যাকটাস বনে। কোথাও দুষ্টু কুকুরের বাতাসে। কিংবা কোথাও পৃথিবী বলার মতো সাংকেতিক ভাষায় সাদা নিঃশ্বাসে নয়। কেউ তবে জিগ্যেস করে বিভাজন। দোয়েল, ঘুঘুর স্তম্ভিত আকাশ জুড়ে পার্শ্বচরিত্রের ভূমিকা। অনেক যজ্ঞ, কাটা মাছের মঙ্গলবার প্রয়োজন নেই। যেদিন আমাকে স্থলভাগ ছেড়ে বলেছিলে¬(ঘোড়ার রঞ্জিত দাগ¬), ফলে ভারাক্রান্ত আমি। ঘোড়া হলো ঝড়ের জলাভূমিসহ ডালপালা অতিকান্ত পাহাড়। যা কখনো তোমার বৃষ্টির জন্য গর্জন দিতে পারেনি।

চুইয়ে পড়ছে সংঘর্ষ
বিগত হাতে কাউকে দেখছি না। বীর্য এবং সূর্যগ্রহণ করে তুমি বসেছ চুইয়ে পড়া রক্তের নিচে। তোমার সন্ধ্যামালতির দুপুরে। প্রতিসাম্যে আমি একা। বিশ্বাস করি ঝরণা, জলপ্রপাত—প্রাচীন জেলিফিশের বলিষ্ঠ কণ্ঠে ব্যক্তিগত স্নানঘর। জানতাম যদি তোমাকে একক মহাদেশীয় গুহার পাশে। সংঘর্ষ, হাঁটা জঙ্গল অনন্ত সময়ে বর্ধিত হতো। এখন কত চূড়ান্ত বাকি, কত ভুল মাশুলে শিকল হারিয়ে গেছে বিপরীত নগরে। এই প্রকাশিত শিলাভূমির চাষবাস। নুড়িপাথর ছিটকে নিঃসৃত পাই তোমার দুই বোঁটা স্তন। কাছাকাছি; উত্তেজিত ভয়!
গড়িমাসি খাই! এবং নিদ্রাহীন…