শেখ হাসিনার বক্তব্যে বাড়ল ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক টানাপোড়েন
ছাড়পত্র ডেস্কপ্রকাশিত : আগস্ট ০৭, ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিদেশি মাটিতে বসে দেশের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্য সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করে।
বিবৃতিতে ঢাকাসংক্রান্ত বিষয়ে অসত্য মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশে হস্তান্তরের দাবি পুনরায় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা অডিও লিংকের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। বক্তব্যে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন এবং বর্তমান প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।
আইনি জটিলতা ও নিরাপত্তার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সম্ভাব্য পরিণতি জেনেও চলতি বছরের শেষ নাগাদ আমি দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছি।”
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, উক্ত আয়োজনের সাথে তাদের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, সেখানে দেওয়া যেকোনো রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় একান্তই বক্তার এবং ভারত সরকার এমন কোনো রাজনৈতিক মন্তব্য সমর্থন করে না।
ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের উপস্থিতিও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে সাকিব আল হাসানের বাসভবনে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।























