আহমেদ নাজিবের গদ্য ‘একটা গভীর দার্শনিক উপলব্ধি’
জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
আমরা উপন্যাসটি শেষ করি একটা গভীর এক দার্শনিক উপলব্ধির ভেতর দিয়ে। কি সেই দার্শনিক উপলব্ধি? সেটা হলো, আমরা সকলেই কমবেশি একেকজন ক্রুশবিদ্ধ যীশু
আয়নায় মুখ নয়, দেখা যাবে ভেতরটাও
আপনার ভেতরে যে মানুষটা আছে, সে বাইরের এই পৃথিবী থেকে খুব একা। আপনার মধ্যে ওই মানুষটা জগতের কাউকে তার অনুভূতির কথা বোঝাতে পারে না। আর তাই সে একা একা থাকে। একা একা তার মতো সে গড়ে নেয় এক জগৎ, যা আপনার আকাঙ্ক্ষা দিয়ে তৈরি।
জানুয়ারি ২৪, ২০১৮
‘মেয়েমানুষরে যে গড়াইছে, সে বড় কারিগর’
মনোহর জয়নালকে মেয়েমানুষের সন্ধান দেয়। নৌকায় করে নিয়ে যায় সেই জায়গাগুলোতে, যেখানে মেয়ের বাবা, ভাই, প্রতারক প্রেমিক বিক্রি করে দিয়ে গেছে মেয়েমানুষগুলোকে। জীবন সেখানে থেমে থাকেনি। যে জয়নাল মনোহরের কাছে মেয়েমানুষের গড়ন নিয়ে উচ্ছ্বাস করে, সেই জয়নাল তাদের বিক্রি করার ব্যবসা করে
জানুয়ারি ১৯, ২০১৮
মূর্তিকারিগরে প্রতিমূর্ত এক শহর
প্রতিটা ইটই প্রাণ পেতে চায়। কিছু একটা হতে চায়। প্রতিটি ভবনের আত্মা আছে, আছে মন। যে ভবনের আত্মা নেই সেটির প্রেতাত্মাও আছে হয়তো। ওই রকম ভবনে থাকলে গা ছমছম করতেই পারে।
ডিসেম্বর ১১, ২০১৭
বদলে দিয়েছে যে বই
ভালো একটা বই পড়লে আমরা অন্তত কিছুটা বদলাই। একটা বই পড়লে আমরা যতটা বদলাই তারচেয়ে অনেক গুণ বদলাই একটা ভালো বই লিখলে। এমন অনেক পড়ুয়া দেখেছি যারা হাজার পড়লেও ভিতরে নির্বিকার।
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭























