ইজরায়েলি হামলায় গাজায় আজ নিহত ৮
ছাড়পত্র ডেস্কপ্রকাশিত : আগস্ট ০২, ২০২৬
আজ রোববার গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইজরায়েলি হামলায় ৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স। এসব হামলায় নিহতদের মধ্যে দেইর আল-বালাহর দক্ষিণে একটি আবাসিক ভবনে এক নারী ও এক পুরুষ রয়েছে। এছাড়া খান ইউনিসে পৃথক হামলায় তিনজন এবং গাজা সিটির পুরোনো এলাকায় একজন নিহত হয়।
এই হামলার দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় গত বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দফা রোডম্যাপ প্রকাশ করে। এতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইজরায়েলি বাহিনীর গাজা থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়।
তবে এখন পর্যন্ত ওই পরিকল্পনার কোনো অংশই মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়নি। হামাস জানিয়েছে, ইজরায়েল সামরিক অভিযান বন্ধ করে গত বছরের চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার করলেই তারা অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য হস্তান্তর করতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে, ইজরায়েলের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, হামাসের প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ না হলে বর্তমান অবস্থান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ উদ্যোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই পরিকল্পাকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে হামাসের নেতাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত ফাতাহর সাবেক জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ দাহলান দাবি করেছেন, ট্রাম্পের জামাতা ও মার্কিন উদ্যোগের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার তাকে জানিয়েছেন, গাজায় হামলা বন্ধে ইজরায়েলের সঙ্গে কাজ চলছে।
দাহলানের ভাষ্য, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করছে ইজরায়েল প্রতিদিনের হামলা পুরোপুরি বন্ধ করে কি না, তার ওপর।
শনিবার মধ্য গাজায় ইজরায়েলি হামলায় একটি চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম ধ্বংস হয়ে যায়। হামলায় প্রায় ২০ মিটার চওড়া ও ১০ মিটার গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিরতির কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও গাজাজুড়ে ইজরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা























