জান্নাতুল ফেরদৌসের ভালোবাসার কবিতা

প্রকাশিত : জুলাই ০২, ২০১৯

ভালোবাসা

তুমি আর আমি খুব গোপনে
যে ভালোবাসাকে লালন করি
তার গভীরের ক্ষতগুলো
জমতে থাকা ধুলোর মতো
আস্তরণে ঢেকে গেছে।

হঠাৎ কোনো করুণ মুখ কিংবা
মুগ্ধ করার মতো কোনেরা দৃশ্যপট
অথবা ভালোলাগার কোনো সংগীত
হতে পারে কারো উপদেশ
সেই ভালোবাসাকে জাগিয়ে দিক
আনুক নতুন ভোর তোমার আর
আমার জীবনের চিত্রপট বদলে দিয়ে
জাগুক নতুন তানে পৃথিবীর বুকে।

যেদিন থাকবো না আমি

একদিন এ শহরে থাকবো না আমি, তোমাদের মাঝে।
একাকিত্বের হাহাকার লুট হয়ে যাবে সেদিন।
হয়তো তখন কোনো এক অবসাদে
আমাকে পড়বে মনে, হতে পারে আমাকে
দেয়ার মতো সেদিন তোমার থাকবে
অজস্র সময় কিন্তু আমি থাকবো না।
জীবনানন্দের মতো অন্য কোনো বেশেও
আমি আর ফিরতে চাই না,
তোমাদের এই শহরে,
যেখানে ভালোবাসা বলে কিছু নেই।
আছে শুধু মেকি সুখ আর বৈভব।
আমাকে সেদিন আর বইতে হবে না
মিথ্যার কোনো বেড়াজাল,
শুনতে হবে না কোনো বিষাদের কথা।
এ শহরের কোলাহলে জমে থাকা কোনো ক্ষত সেদিন আর বইতে হবে না আমাকে।
সেদিন আমি আর করবো না
তোমার ফিরে আসার প্রতিক্ষা,
চাইবো না তোমার ভালোবাসার স্পর্শ।
তবু জানি, কেউ না কেউ খুব যতনে
রেখে দেবে আমার স্মৃতিটুকু।
গহীন রাতে হয়তো ঘুম ভেঙে গেলে ভাববে, মানুষ হিসাবে মন্দ ছিল না সে।
এটুকুই আমার প্রাপ্তি,
এটুকুই আমার সান্ত্বনা।

আমিও সেখানে ছিলাম

আরে, আমি সেখানেই ছিলাম
একদম চোখের সামনে ঘটল ঘটনা।
মনে হলো, এ যেন কোনো সিনেমা
ইস, মোবাইলে চার্জ ছিল না
না হলে দেখতেন, আমার করা
ভিডিওটায় বাজিমাত করতো।
ওমা, কী যে বলেন!
আমার কী করার ছিল?
আর ওরাতো আমার কিছু হয় না,
কী দরকার ঝামেলায় জড়িয়ে।
ফেবুতে আমার পোস্টটা পড়েছেন তো?
কী যে বলেন, বুকটা হাহাকার করছে আমার ছেলেটার জন্য।
খেয়াল করেননি পোস্টে তো লিখেছি
ফিলিং স্যাড।
ভিডিওটি দেখেছেন? বাহ, বাম পাশেই আমি ছিলাম, আমাকে চেনেনি?
ইস, কী যে আফসোস, ভিডিওটি আমি
করতে পারলাম না।