সৌরভ হালদারের ৩ কবিতা
প্রকাশিত : মে ১৬, ২০১৯
বটবৃক্ষ
বৃহাদাকার বৃক্ষ তুমি,
জমিনের মাঝে আছো যে
তুমি
সরু সরু ঝুরি বাতাসে দোলে
পরে মাটিতে প্রেরিত হলে।
স্তম্বমূলের মাটির
উপারাংশ,
পরিবর্তন হয় তবে বিটপে।
কচি পাতা তামাটে,
স্থান কাল পত্রভেদে
ভিন্ন একাধারে বৈশিষ্ট
তোমার
বটের পাতা হয় একান্তর
ডিম্বা কৃত মসৃন ও উজ্জ্বল।
পাংশুটে হলুদ হয় বটের কুড়ি,
তখনি পড়ে পাতার ঝুড়ি
বসন্ত,শৎরত আসে যখন।
নতুবা পাতা গজে তখন।
তিন ঋতুর পরিবর্তে,
ফল পেকে যাই মুহুর্তে।
গ্রীষ্ম,বর্ষা,শীত
তাহারিই নাম।
বহুগুনাগুন তোমার
বেচে আছো অনন্তকাল
পাঁচ-ছয় শত বছর।
এ যে তোমার আয়ুষকাল,
বটবৃক্ষ তোমারি নাম
বহুবর্ষ জীবী বেচে আছো
চিরোকাল।
কবি
ছন্দ ভাবে সৌদ্যর্য কবিতা
প্রতিটি লাইনের মাঝে,
প্রকাশিত এই মর্ম।
তৈরি হয় তাহারিই মাঝে যে কিনা
বোঝে,ভালোবাসার বেদনা
যে কিনা বোঝে,প্রকৃতির কথা;
আশা আর সৌদ্যার্য
যে কিনা বোঝে,নদীর
স্রোতের জলরাশি।
এই পৃথীবীর বস্তুত আর
মানবের সৃষ্টি এই দুনিয়া।
এই নিয়ে তৈরি হয় কবির কবিতা
সৃষ্টি ভাব আর এই সৌদ্যর্য
আমার এই কবিতা
কবি কবি আর কবি
ভালোবাসার বেদনার এই
কবি।
প্রতিটি লাইন এর মিলনই এই কবি।
ফনি
আসিবো হঠাৎ না
জানিয়ে,না বলে।
ভেঙ্গে চুরে চুরমার করে দেবো,
এটাই হবে আমার আঘাত?
কেপে যাবে বিশ্ব,সৃষ্টি হবে ভূমিকম্প
চমকে যাবে বিদ্যুৎ,প্রচন্ড
বেগে আসিবে বাতাস।
তবেই না আমার নাম হবে ফনি
চলবো তান্ডবে,ঘুরবো
অজানা পথে
শুধু প্রতিক্ষাই থাকবে।
অপেক্ষা করো আসিবো
তোমার দূয়ারে
যে ডাকিনি কখনো সৃষ্টিকর্তকে
সে ডাকিবে বার বার
আল্লা - ইশ্বর বলে
ডকিবে সে বুদ্ধ - যিশুকে
কোথাই ছিলে এতোদিন?
আসিলো বিপদ!তবেই কি ডাক হলো?
ছাড়বো না কাউকে
সমুদ্রের তল দেশ থেকে আসছি আমি
প্রতিক্ষাই থেকো।
হয়নি যা গত তিতাল্লিশ বছরে,
তা হবে এখন উনিশে।
শুধু একটা সময়,
ঘন্টাই চলিবো অজানা
গতিতে।
যাবে দিন,বাড়বে গতি
তবেই তো হবে আমার নাম
ফনি।























