হেনরী স্বপনের ‘নাতনির জন্য ছড়া’
প্রকাশিত : মে ১৫, ২০১৯
এক.
ঘুম পাড়ানি মাসি পিষি
ডাকত কেবল মা
মা-ই বুকের উষ্ণওমে
বুনতো উলে জামা।
দু’চোখ ভরে ঘুমায় শিশু
ঘুম ছিলোনা মা’র
রাত জেগে মা দেখতো তারা
আঁকতো ছবি গাঁ’র।
ঝড় বাতাসে জড়িয়ে নিতো
আঁচলতলে ধরে
ধনকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে
মা-ই দু`চোখ ভরে।
দুই.
বাইরে রোদের চিক্ চিক্ চি্ক্
ঝিলিক মারে ঘরে
বুকের ভেতর ধিক্ ধিক্ ধিক্
গরম ফেটে পড়ে।
প্রখর আকাশ ফিক্ ফিক্ ফিক্
ফোকলা হাসি মুখে
ঘড়ির দমে টিক্ টিক্ টিক্
খুশির এলার্ম বুকে।
তিন.
শুনবে না-কি কবির কথা
বিশ্ব জোড়া নাম
আমরা বলি রবি ঠাকুর
করছি যে প্রণাম।
রবির আঁকা রবির লেখা
রবির যতো গান
রবির আলোয় আমরা জ্বলি
আলোয় ভরা প্রাণ।
একদিন সে জন্মেছিল
ঠাকুরবাড়ির ঘরে
জোড়াসাঁকোর ছোট্ট রবি
সবারই অন্তরে।
চার.
লেকের ধারে ফুল ফুটেছে
সাদা কাশের দোলা
বক শালিকের ওড়াউড়ি
যায়না তাকে ভোলা।
বন বনানী সবুজ ঘেরা
আছে অনেক গাছ
জল থৈ-থৈ লেকের জলে
ডিগবাজি দেয় মাছ।
পাখ-পাখালি মাছের ডালি
রৌদ্র ঝিলিক মারে
মিষ্টি বিকেল অলোক ধারা
বইছে লেকের ধারে।
পাঁচ.
পুচকেরা সব ঘর বন্দি
আম কুড়াতে যায়না
গাছের ডালে আমের থোকা
কেউ পেড়ে তা খায়না।
আম জামরুল থোকা থোকা
মগডালেতে টুনি
বন-বাদাড়ে ভূতের বাড়ি
আছে শাকচুণী।
শাকচুণী আর ভূতের ভয়
এসব কিছুই নয়
পুচকেরা সব ভূতুর সাথি
পুচকে রাজ্যময়।























