মুজতবা আহমেদ মুরশেদের গুচ্ছকবিতা
মার্চ ২১, ২০২৬
মনে হয় রোদ হয়ে গেছি একমুঠো গাছেদের পাতার ছায়ার সাথে মনে হয় শুধু রোদ হয়ে খোলামেলা, খেলি
দুশ্চিন্তানামা
তোমাকে ভালো লাগে/গৌতম বুদ্ধ যেমন করে বলেছিল/তেমন করে/হাত-পা কাপে না/হৃদপিন্ড স্থির থাকে/তোমাকে ভালো লাগে, গৌতম বুদ্ধ যেমন করে বলেছিল, তেমন করে।
জানুয়ারি ২২, ২০১৮
দৃশ্যসমূহ
থকথকে সকাল/ঝিঁমানো ঘোড়া আস্তাবলে/এই দিকে তাও ফোটে ফুল।... ধানখেত পেরিয়ে/হাঁস সব উড়ে যায়/নিথর জল।
জানুয়ারি ২২, ২০১৮
মিল্লাত হোসাইনের গুচ্ছ কবিতা
এই ঘুমন্ত শহরের অন্ধকার বাতাসে গোল্ডলিফের ধোয়ায় মনটাকে উড়িয়ে দিলাম। কে আছিস সখি জেগে আঁধারে হাত বাড়িয়ে খুঁজে নিস জ্বলন্ত হৃদয়টাকে। আর ডায়েরীর পাতায় শুকনো গোলাপের পাপড়ির মতো যত্ন করে রেখে দিস, প্রয়োজন হলে কোনও একদিন তোকেই খুঁজে নেব
জানুয়ারি ২১, ২০১৮
রওশন আরা মুক্তার গুচ্ছ কবিতা
বড়লোক এক পোলা জিজ্ঞাসিল, আমার সাথে সেক্স করবা? আমি বলিলাম, তুমি আমারে টাকা দিবা? টাকা-পয়সা ইজ দ্যা ভাইটাল থিং। হিসাব নিকাশ ছাড়া তা তুমি দেও আমারে, আমিও তোমার প্রস্তাব দেখব বিবেচনা ক’রে। এরপর সে-ছেলেটি লজ্জা পেয়ে যায়, এখন এসে সে আমাকে বিয়ে করতে চায়
জানুয়ারি ২০, ২০১৮
নতুন গ্রহে বসতি স্থাপন পদ্ধতি
রথমেই তোমাকে বয়ে আনা মহাকাশযানটাকে নষ্ট করে ফেলো/নইলে হোম সিকনেস বারবার তোমাকে পৃথিবীতে ফিরতে প্রলুব্ধ করবে/জীবনানন্দের ঘাস তোমাকে ডাকতে থাকবে সবুজ সোহাগে/আর এসব সিকনেস ও সোহাগ তোমাকে স্থবির করে রাখবে এমনভাবে/যে জেলখানাও এরচেয়ে ভালো ছিল বলে মনে হতে থাকবে
জানুয়ারি ১৯, ২০১৮
সৈকত হাবিবের গুচ্ছ কবিতা
হত্যাকারীরা যখন এলো, আমি ‘রোদ রোদ’ বলে চিৎকার করছিলাম। প্রকৃত প্রস্তাবে, তখন রাত ছিল না; ছিল দিন, রোদও ছিল, বলল অন্যরা। কিন্তু আমি শুধু দেখছিলাম অন্ধকার; মগ্ন আঁধারে ছেয়ে আছে আমাদের বিশ্বগ্রাম। তীব্র চেঁচাচ্ছিলাম আমি, ফেটে যাচ্ছিল আমার হৃৎপিণ্ড। চারপাশে ভিড় করে এলো মানুষ।
জানুয়ারি ১৮, ২০১৮
এস এম শাহরুখ পিকলুর দুটি কবিতা
নদীর কূলে এসেও পানি না খেতে পারা/প্রেয়সীর যোনি থেকে রস আহরণ করতে না পারলে/টাকার কাণ্ডে হস্ত প্রসারিত করে টেনে না আনতে পারলে/যৌবনের সুধা পান করেও মাতাল না হলে/শিক্ষার জ্যো্তিতে দেহ ও মনটা আলোকিত না হলে/ধর্মকথা শুনেও ধর্মের প্রতি বিতৃষ্ণা না গেলে/মা-বাবার ভালোবাসাতে স্বার্থপরতা দেখতে না পেলে
জানুয়ারি ১৭, ২০১৮
জায়েদ হোসাইন লাকীর তিনটি কবিতা
লিউনা, চুমোকে পাপ ভাবছ যখন, তখন, আমি কী করে তোমাকে চুমোর শৈল্পিক বিবৃতি মুখস্ত করাই, বলো? একটি গল্প শোনো, কারো কামরাঙা ঠোঁট যখন কাউকে চুমো খাওয়ার জন্য খুব উসকে দেয় তখন প্রেমিক মানে না কোনো চুমোর সংবিধান বা পাপের নিয়ম
জানুয়ারি ১৫, ২০১৮
তুষার কবিরের গুচ্ছ কবিতা
বরং তুমি সেই রেস্তোরাঁর কথাই বলো যার ঝাড়বাতিগুলো জেগে ওঠে মাঝরাতে কোনো ভগ্ন বেহালার সুরে— যার আবলুশ রেকাবির পর জেগে থাকে নীলচে নরম নাশপাতি— ফেটে যাওয়া আনারের দানা— রক্তিম গেলাসে যার ঘুরতে থাকে আঙুরের রস, মদ, মোহ, মায়া— ঘুমের গহিনে যাতে বেজে যায় সুরময় ক্যানেস্তা
জানুয়ারি ১৩, ২০১৮
রুদ্র হাসানের একগুচ্ছ কবিতা
মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে, ঠাটায়া দুইটা চুম্মা দিয়া দেই তোর আপেল গালে/তাইলে বুঝবি ভালোবাসা কারে কয়/মাঝে মধ্যে মনটা কয়, তোর চুলের ঝুঁটি ধইরা খুইলা ফালাই/তারপর কানে-কানে না বলা কথা কই, আর মনের মাধুরী মিশায়া বেণী বাইন্দা দেই/তাইলে বুঝবি, কতটা তুই আপনার
জানুয়ারি ১১, ২০১৮
























