নাঈমুল হাসানের তিনটি প্রেমের কবিতা
প্রকাশিত : নভেম্বর ০৮, ২০১৮
অপেক্ষা
সারাটা বিকেল অপেক্ষা করেছি তোমার জন্য
ক্লান্ত চোখে, ঘুমের অালস্যে, অজস্র প্রত্যাশা নিয়ে
বসে ছিলাম,শুয়ে ছিলাম -
বিকেলের ঝিমধরা নিস্তব্ধতায়!
ক্লান্তি এসে অামায় অারো অলস বানায়,
ঘুম এসে অামায় অলস করে তোলে...
ইচ্ছেগুলো এসে মিশে যেতে থাকে বিকেলের গায়ে।
নিস্তব্ধতা এসে ঘিরে ধরে অামাকেও।
কেবল তুমিই অাসো না!!
সারাটা বিকেল অপেক্ষা করি অামি তোমার জন্য।
ঘাসফুল
সরীসৃপের মতো এঁকেবেঁকে অাছে
মাথার ওপরের ফ্লাইওভারটা,
তার নিচেই কৃত্রিম সব বাগানের পসরা,
কত লোক চর্জা করছে বাগানের।
দেখলে মনে হবে বাগান বিলাস।
ঘাসকার্পেটে অাবৃত করে রেখেছে তার প্রতিটি পিলার।
এই কৃত্রিম সাজসজ্জা,
চোখ ধাঁধানো বিলাসিতার পসরা
অামার হৃদয়ের মতো নয়,
অামার হৃদয় ঘাসকার্পেটে মুড়ানো নয়,
কিন্তু হৃদয় চর্জা করার এক মানবী অাছে।
হৃদয় বিলাসী সেই অরিত্রিকা
অামার হৃদয়েরর ঘাসফুল।
নক্ষত্রের মতো সাহসী
অন্ধকারে একটি হাত
নক্ষত্রের মতো উষ্ণতা নিয়ে স্পর্শকরে কনিষ্ঠাঙুল।
নিশ্বাসের শব্দযুগল এক হতে হতে অাবার দূরে সরে যায়,
লজ্জায়-অাতঙ্কে-উত্তেজনায়!
কপালে কপাল ঠেকিয়ে মৃদুভাবে স্পর্শকরে
তরুণির শীতল কপোল।
চোখগুলো বন্ধ, কিংবা খোলা হয়তো
চোখের পাতা বন্ধ করলেইতো স্পর্শগুলো দেখা যায়, নক্ষত্রের অালোর মতো!
লজ্জা-অাতঙ্ক-উত্তেজনা এবার নিশ্বাসের শব্দগুলোকে দূরে যেতে দেয়নি,
সাহসী করেছে-
নক্ষত্রের মতো সাহসী!























