আবু তাহের সরফরাজের বর্ণমালার ছড়া

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

অন্তস্থ য ফলার ব্যবহার

হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁচকা
টেনে তোল বোচকা।
ব্যাগ হাতে প্যানপ্যান
এসে করে ঘ্যানঘ্যান।

ছ্যা ছ্যা ছ্যাঁচরা
চুলগুলো আঁচড়া।
আসে যদি ফ্যাঁকড়া
ধরে আনো কাঁকড়া।

ফ্যা ফ্যা ফ্যালনা
ন্যালনেলে খ্যালনা।
ক্যাঁটক্যাঁট ক্যাবলা
তুই নাকি ছ্যাবলা?

চ্যাপটা নাক তোর
প্যাচপেচে ঘরদোর।
ভ্যানভ্যান করে মাছি
ড্যাং ড্যাং এলে বাঁচি।

ঠ্যাং তুলে ক্যাঁচ ক্যাঁচ
ভ্যা ভ্যা কাঁদে ম্যাচ।
ব্যাংকের ম্যানেজার
ঢ্যামনা টিনেজার।


প্যাঁচা তুই চ্যাঁচাতো
ভাই তোর জ্যাঠাতো।
পানতায় খান তো?
সাপ-বেজি জ্যানতো?

ম্যালেরিয়া ফ্যাসাদে
এসে বলে, কাঁছা দে।
আয়-ব্যয় হলে দুই
ফুটপাথে এসো শুই।

গ্যাট হয়ে বসে থাকো
খ্যাতি হলে ছবি আঁকো।
প্যাঁক প্যাঁক চ্যাংদোলা
কাজ তার ঠ্যাং তোলা।

ব্যাপার দেখে ন্যাংটাপুটো
আনলো ধরে ব্যঙ্গ দুটো।
ক্যাচর ক্যাচর গরুর গাড়ি
ব্যাকুলতা যাচ্ছে বাড়ি।

প্যাকিং করো ব্যবসা
পড়লে গরম ভ্যাপসা।
ফ্যালফ্যাল সারাদিন
ঘুরে বলে, ভাত দিন।

চেয়ে দ্যাখো ড্যাবড্যাব
টেবিলের ওই ম্যাপ।

 

ব- এ শূন্য র ফলার ব্যবহার

ক্রন্দন ক্রমাগত পায় প্রমোশন
ক্রীতদাস ক্রিয়াশীল হলে প্রয়োজন।
প্রতিদিন প্রতিদান ঘাত প্রতিঘাতে
শ্রুতিধর প্ররোচনা দ্যায় প্রতিরাতে।

প্রশাসক ম্রিয়মাণ প্রাইভেট প্রেম
প্রতিবেশী প্রফেসর শ্রমিকের ফ্রেম।
প্রতিদান প্রতারণা প্রত্যাশা করে
ক্রেতা পেলে প্রসাধন ফ্রক টেনে ধরে।

প্রতিকার চেয়ে প্রজা করে প্রতিবাদ
প্রকাশক গ্রন্থনা করে ওই চাঁদ।
প্রবচন ধ্রুব বলে প্রতিনিধি দ্রুত
প্রাথমিক ইসকুলে ভূতপ্রেত শ্রুত।

ত্রয়োদশ শ্রেণি তাই প্রথম প্রহরে
প্রতিশোধ নিতে ছোটে প্রধান শহরে।
ক্রিকেটের মাঠ পেলে ক্রুশকাঠে খ্রিস্ট
গ্রন্থের ভাঁজ খুলে বলে, সব দৃষ্ট।

প্রগাঢ় প্রগতি প্রচ্ছদ গ্রামে
প্রণেতা প্রবাসে ছুটে আসে ট্রামে।
ত্রাহি ত্রাহি ডাক ছাড়ে ক্রুদ্ধ প্রতিমা
ক্রিমি পেটে ক্রোধ বাড়ে হ্রস্ব দ্রাঘিমা।

ট্রাঙ্ক খুলে ড্রয়ারে শাড়ি রাখে দ্রোপদী
ক্রোক হলে প্রতিফল, বলো তো কী ক্ষতি?

প্রাণ খুলে গান গাও প্রাসাদের বাগানে
গ্রেফতার এড়াতে ছায়াবীথি টাকা নে।
প্রতিকূল প্রতিভা ভেঙে পড়ে ব্রিজ
প্রভাতের প্রহারে দ্রোহ হলো ফ্রিজ।

ত্রুটি এলে গ্রীকদেবি ক্রয় করে ক্রীড়া
প্রতীকের প্রচারে প্রভু চান হীরা।
শ্রোতা পেলে হ্রদ ছোটে স্রোত নিয়ে সঙ্গে
ট্রাক চলে ড্রেন দিয়ে প্রহেলিকা বঙ্গে!

গ্রহীতার গ্রহ থেকে ট্রেন এলো ফিরে
গ্রীবা তুলে প্রশংসা হেসে বলে, কী রে?
প্রজনন দুই বোন গ্রাস করে ট্রেজারি
ঘ্রাণ পায় শ্রাবণের, প্রথা ভাঙে বেচারি।